সৌন্দর্যের মুকুট থেকে রেড কার্পেট, ফ্যাশনে তিন দশকের ঐশ্বরিয়া

ঐশ্বরিয়া রাই
রুপালি পর্দায় উপস্থিতি বা রেড কার্পেটে হাঁটা, ক্যামেরার সব আলো আর ভক্তদের নজর নিজে থেকেই আটকে যায় তার ওপর, তিনি ঐশ্বরিয়া রাই। বিশ্বমঞ্চে ভারতের সৌন্দর্য ও অভিজাত্যের সবচেয়ে বড় প্রতীক।
১ নভেম্বর ৫৩ বছরে পদার্পণ করলেন এই বলিউড কুইন। ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট মাথায় ওঠা থেকে শুরু করে কান চলচ্চিত্র উৎসবের রানওয়ে কাঁপানো, তিন দশক ধরে আন্তর্জাতিক ফ্যাশন দুনিয়ায় কীভাবে রাজত্ব করছেন ঐশ্বরিয়া, তার জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক সেই অনবদ্য ফ্যাশন সফর।
২০০২ সালে ‘দেবদাস’ সিনেমার প্রিমিয়ারে ডিজাইনার নীতা লুল্লার হলুদ-সোনালি রেশমি শাড়ি পরে প্রথমবার কানের রেড কার্পেটে পা রেখেছিলেন ঐশ্বরিয়া। বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় ঐতিহ্য তুলে ধরার সেই যে শুরু, তা আজও থামেনি।
২০১৭ সালে মাইকেল সিঙ্কোর নকশা করা আকাশি রঙের সেই বিশাল ‘সিন্ডারেলা গাউন’ পরে যখন তিনি কানে হাঁটলেন, রূপকথার রাজকন্যার মতো সেই রূপ দেখে থমকে গিয়েছিল পুরো বিশ্ব।
এমনকি ২০১৬ সালে লিপস্টিকের শেড হিসেবে বেগুনি রঙ বেছে নিয়ে ফ্যাশন বিশ্লেষকদের চমকে দেওয়ার দুঃসাহসও দেখিয়েছেন কেবল তিনিই।
এলি সাব, জর্জিও আরমানি কিংবা রবার্তো কাভালির মতো বিশ্বখ্যাত ডিজাইনারদের ওয়েস্টার্ন গাউনে যেমন তিনি অপরূপা, তেমনি সব্যসাচী, গৌরব গুপ্তা বা মনীশ মালহোত্রার ঐতিহ্যবাহী বেনারসি শাড়ি ও ভারী অলংকারেও তিনি অনন্য।
২০২৫ সালেও মনীশ মালহোত্রার রাজকীয় বেনারসিতে তার উপস্থিতি প্রমাণ করেছে, নিজের সাংস্কৃতিক শেকড়কে আন্তর্জাতিক ফ্যাশনে ফুটিয়ে তুলতে তার চেয়ে সেরা আর কেউ নেই।
ঐশ্বরিয়ার ফ্যাশন সেন্স সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চমৎকারভাবে বিবর্তিত হয়েছে। ওয়েস্টার্ন গাউন হোক কিংবা ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় শাড়ি, সব ধরনের পোশাকেই তার স্বচ্ছন্দ ও নিখুঁত উপস্থিতি তাকে ফ্যাশন দুনিয়ায় এক অনন্য উচ্চতায় রেখেছে।
তিন দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই ফ্যাশন যাত্রায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং আধুনিক স্টাইলের এক অপূর্ব মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন তিনি, যা তাকে চিরকাল ফ্যাশনের এক আইকন হিসেবে বাঁচিয়ে রেখেছে।










