Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রবাসী বাকারের টাকায় শিক্ষার প্রসার
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় পপকর্ন

তার সবকিছুই ছিল আলাদা

  • আগামীর সময়কে ‘মাইকেল’ তারকারা
agamir somoy
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২
তার সবকিছুই ছিল আলাদা

জুলিয়ান ভ্যাল্ডি

সর্বকালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল বায়োপিক অ্যান্টোইন ফুকুয়া পরিচালিত ‘মাইকেল’। এতে নাম ভূমিকায় জাফার জ্যাকসন, বাবা জোসেফ জ্যাকসন চরিত্রে কোলম্যান ডমিঙ্গো মা ক্যাথেরিন জ্যাকসন চরিত্রে নিয়া লং এবং মাইকেলের ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুলিয়ান ভ্যাল্ডি। সিনেমা প্রসঙ্গে জনি হকের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তারা

আপনার মতে, কেন বিশ্ব জুড়ে দর্শক আজও জ্যাকসন পরিবারের গল্পে এতটা মুগ্ধ? এ ছাড়া আপনার কী মনে হয়, কেন আজও তার সংগীতজীবন বিভিন্ন সংস্কৃতি ও প্রজন্মের মাঝে সমানভাবে অনুরণিত হয়?

কোলম্যান ডমিঙ্গো: আমার মনে হয়, মাইকেল জ্যাকসন এবং জ্যাকসন পরিবারের গল্প প্রকৃত অর্থেই একটি আমেরিকান গল্প। নিষ্ঠা, অধ্যবসায় ও সচেতন প্রচেষ্টার মাধ্যমে একজন মানুষ কী অর্জন করতে পারে, এটি এমন একটি সম্ভাবনার গল্প। আর সত্যি বলতে, জোসেফ জ্যাকসন এমন একটি অসাধারণ সংগীত ঐতিহ্য গড়ে তুলতে ভূমিকা রেখেছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বে পরিচিত। আমার মনে হয় মাইকেলের সংগীত এবং জ্যাকসন পরিবারের প্রভাব এতটাই বিস্তৃত যে, পৃথিবীর যেকোনো ক্ষুদ্র প্রান্তে গেলেও মানুষ তাকে চেনে। প্রায়ই ইনস্টাগ্রামে দেখি, আফ্রিকার ছোট ছোট দেশ কিংবা গ্রাম, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল কিংবা বিশ্বের অন্য কোনো প্রান্তের শিশুরাও মাইকেল জ্যাকসনের গান জানে, সবাই তাকে চেনে।

জাফার জ্যাকশন

আরেকটি বিষয় হলো, মাইকেল জ্যাকসন নিজেকে বারবার নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন। তিনি নিজের সংগীত, শব্দ এবং শিল্পধারাকে ক্রমাগত নতুন রূপ দিয়েছেন। তার সংগীতকে নির্দিষ্টভাবে আরঅ্যান্ডবি, সোল কিংবা পপ ঘরানায় সীমাবদ্ধ করা যায় না। কারণ, তিনি নিজেই এক অর্থে একটি ঘরানার সংজ্ঞা তৈরি করেছেন।

শুধু সংগীতেই নয়, নিজের ভাবমূর্তির উপস্থাপনায়ও বারবার পরিবর্তন এনেছেন মাইকেল জ্যাকসন। তিনি প্রতিনিয়ত নিজেকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। ফলে পৃথিবীতে মাইকেল জ্যাকসনের বিভিন্ন রূপ দেখা গেছে। এটিও খুবই আকর্ষণীয়।

আমার মনে হয়, মাইকেল জ্যাকসনের প্রভাব এত দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কারণ হলো তার সংগীত সত্যিই অসাধারণ। এগুলো খুব মানবিক, ফলে শ্রোতাদের মনে কোনো অনুভূতি জাগিয়ে তোলে।

আপনি যদি মাইকেল জ্যাকসন কিংবা জ্যাকসন পরিবারের গানের ভাণ্ডারে তাকান, দেখবেন সেখানে মানবতা, ভালোবাসা, একে অপরের প্রতি অনুরাগ ও সহমর্মিতার অসাধারণ বার্তা রয়েছে। আর আমি মনে করি, এসব মূল্যবোধ কখনো পুরনো হয় না। এগুলো চিরন্তন।

সত্যিই, জ্যাকসনের গানগুলো অসাধারণ। যদি একটি গান বেছে নিতে বলা হয়, আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ আছে?

কোলম্যান ডমিঙ্গো: এটা তো প্রতিদিন বদলায়। জানি না কেন, প্রশ্ন করতেই প্রথম যে গানটির কথা আমার মনে পড়ল, সেটি হলো ‘দ্য গার্ল ইজ মাইন’। এটি আমার অন্যতম প্রিয় একটি গান।

মাইকেল জ্যাকসন শুধু অনন্য কণ্ঠের জন্যই নন, নাচেও তিনি ছিলেন অনবদ্য। তার শরীরী ভাষা, পায়ের কাজ এবং নৃত্যভঙ্গি বোঝার প্রক্রিয়া কেমন ছিল?

জাফার জ্যাকসন: মাইকেলের চরিত্রে নিজেকে গড়ে তোলার অন্যতম কঠিন একটি দিক ছিল নাচ আয়ত্ত করা। তাকে নকল করা নয়, নিজের মধ্যে মাইকেলের মতোই পরিপূর্ণতার মানসিকতা তৈরি করতে চেয়েছি। আমার কাছে সবকিছুই ছিল অনুভূতির ব্যাপার। অনেক সময় লেগেছে এমন এক জায়গায় পৌঁছাতে, যেখানে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মহড়া করার সময় নিজেরই মনে হতো, ‘বাহ, এই মুহূর্ত ঠিক মাইকেলের মতো হলো।’ অথবা, ‘এই স্পিন ঠিক তার মতোই করতে পেরেছি।’

তবে শুরুর সময়টা ছিল খুব কঠিন। নিজের শরীর নিয়েও ভীষণ সচেতন ছিলাম। শরীরের ভার কীভাবে স্থানান্তর করতে হবে, সেই শারীরিক গঠন পেতে কতটা ওজন কমাতে হবে আর সেই শরীর নিয়ে নাচের মুভগুলো কেমন অনুভূত হয়, এসব বুঝতে সময় লেগেছে। ধীরে ধীরে সব সহজ হয়েছে। একই সঙ্গে সহনশক্তি তৈরি করতে হয়েছে। কারণ, মাইকেলের  মতো শক্তি নিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ পারফরম্যান্স করা খুবই কঠিন। তাছাড়া শুটিং সেটে গিয়ে একই দৃশ্য ১০, ১৫ বা ২০ বার করতে হতে পারে মনে হয়েছে। তাই আমার লক্ষ্য ছিল প্রথম টেকের শক্তি যেন ২০তম টেকেও একই থাকে। এই প্রস্তুতির মূলমন্ত্র ছিল একটাই— পুনরাবৃত্তি। একই জিনিস বারবার করতে থাকতাম, যতক্ষণ না শরীর আর পারত না।

মাইকেল সব সময় দর্শকদের চমকে দিতে চাইতেন। এ মানসিকতাই আমাকে তার পারফরম্যান্সের ক্ষুদ্রতম বিষয়গুলোর দিকেও নজর দিতে শিখিয়েছে। তার ভঙ্গি, শক্তির ব্যবহার— সবকিছুই আলাদা ছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রতিটি নাচের মুভের অর্থ বোঝা। ধীরে ধীরে বুঝতে পারলামা কোন মুভে কতটা শক্তি দিতে হবে, কোথায় কিছু শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে হবে, যাতে কোরাস বা গানের অন্য অংশে আরও বিস্ফোরকভাবে প্রকাশ করা যায়।

প্রতিদিন কত ঘণ্টা মহড়া করতেন?

জাফার জ্যাকসন: শুরুতে প্রতিদিন প্রায় তিন ঘণ্টা শুধু ‘বিলি জিন-এর ‘মোটাউন ২৫: ইয়েস্টারডে, টুডে, ফরেভার’ গানটির অনুশীলন করতাম। পরে সময় আরও বেড়েছে। নিজের জন্য লক্ষ্য ঠিক করেছিলাম প্রতিদিন অন্তত ২০ বার পুরো পারফরম্যান্স শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত করব। দশমবারের পরই শরীর ভেঙে পড়ত। কিন্তু কয়েক বছর পর, বিশেষ করে তৃতীয় বছরে এসে ২০ বারেরও বেশি করতে পারতাম। একসময় আমি ‘মোটাউন ২৫’-এর আসল ভিডিও আয়নার পেছনে চালিয়ে রাখতাম। আয়নায় ভিডিওর প্রতিফলন দেখে নিশ্চিত করতাম প্রতিটি ভঙ্গি, সময় ও ছন্দ যেন মাইকেলের সঙ্গে মিলে যায়। অনুভব করতে চেয়েছি, সেই ঐতিহাসিক পারফরম্যান্সে মাইকেল ঠিক কী অনুভব করেছিলেন।

এর আগে তো কখনো অভিনয় করেননি, তাই না?

জাফার জ্যাকসন: (হাসি) না। ছোটবেলায় পেশাদার গলফার হতে চাইতাম। এরপর আরও বিভিন্ন খেলাধুলার দিকে ঝুঁকে পড়ি। পরে সংগীতের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। গান লেখা, পিয়ানো বাজানো, সংগীত প্রযোজনা— এসব শিখতে শুরু করি। স্কুলে একবার একটি ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবে নাটকের ক্লাস ছিল। আমার কয়েকজন বন্ধু মজা করে সেখানে ভর্তি হচ্ছিল। তখন খুব লাজুক ছিলাম। তাই ভেবেছিলাম, এটা হয়তো নিজের গণ্ডি থেকে বের হওয়ার একটা সুযোগ হতে পারে। বন্ধুরাই আমাকে অনেকটা উৎসাহ দিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। তারা মজার নাটক করতে খুব রোমাঞ্চিত ছিল। কিন্তু আমি ভীষণ ভয় পেয়েছিলাম। তবু শেষ পর্যন্ত খুব ভালো লেগেছিল। তবে তখনো অভিনয়কে পেশা হিসেবে ভাবিনি। আমার পুরো মনোযোগ ছিল খেলাধুলায়। এখন অবশ্য সবকিছু বদলে গেছে। এখন আমার মন পুরোপুরি অভিনয়ের জগতেই এবং এ পথেই এগিয়ে যেতে চাই

আপনার কি কোনো প্রিয় গান আছে? কোলম্যানকেও একই প্রশ্ন করেছিলাম। জানি, এটা হয়তো প্রতিদিন বদলে যায়।

জাফার জ্যাকসন: (হাসি) সত্যি বলতে, আমার প্রিয় গান প্রতিদিনই বদলে যায়। তবে কয়েক সপ্তাহ ধরে সবচেয়ে বেশি শুনছি ‘স্ট্রেঞ্জার ইন মস্কো’। আর যদি একটু দ্রুতগতির গান বলি, তাহলে ‘ডোন্ট স্টপ টিল ইউ গেট এনাফ’ অথবা ‘বেবি বি মাইন’। আসলে, আমার পছন্দ এত দ্রুত বদলায় যে একটি গান বেছে নেওয়া সত্যিই কঠিন।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের আগে মাইকেল জ্যাকসনের কোনো প্রিয় গান বা পরিবেশনা কি আপনার ছিল?

জুলিয়ান ভ্যাল্ডি: ‘বিলি জিন’ সবসময়ই আমার সবচেয়ে প্রিয় গান। তবে মাইকেল জ্যাকসনের ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে দ্য জ্যাকসন ফাইভ-এর অনেক গান নতুনভাবে উপলব্ধি করেছি, যেগুলোর মর্ম আগে আমার জানা ছিল না।

জাফার ও কোলম্যান দুজনই বলছিলেন তাদের প্রিয় গান প্রায় প্রতিদিনই বদলে যায়। তাই একটি গান বেছে নেওয়া সত্যিই কঠিন!

জুলিয়ান ভ্যাল্ডি: হ্যাঁ, আমার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। মানে, গতকাল আমার প্রিয় গান ছিল ‘বিট ইট’।

জ্যাকসন পরিবারের আবেগের কেন্দ্রবিন্দু ভাবা হয় ক্যাথেরিন জ্যাকসনকে। অভিনয়ের মাধ্যমে মাইকেল জ্যাকসনের জীবনে তার মায়ের ভূমিকা প্রসঙ্গে দর্শককে কী বোঝাতে চেয়েছেন?

নিয়া লং: সবাই জানে, মা আর সন্তানের সম্পর্কের মতো আর কোনো কিছুই হতে পারে না। ব্যক্তিজীবনে আমার নিজেরও দুই ছেলে আছে। ছেলে হোক বা মেয়ে— মাতৃত্বের শক্তিই হলো তাদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়। এটি এমন একটি জায়গা, যেটি সন্তানের বেড়ে ওঠা, সুরক্ষা এবং ভালোবাসাকে একসঙ্গে ধারণ করে। সন্তান লালন-পালন আর মাতৃত্বকে একটি সুন্দর রান্নার মতো ভাবতে ভালো লাগে আমার। এ যেন ধীরে ধীরে চুলায় রাখা একটি হাঁড়িতে নানা উপকরণ ঢেলে দেওয়া। সেসব উপাদান মিলেই তরকারির মতো একসময় একজন তরুণ বা তরুণী গড়ে ওঠে, যে তার জীবনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্যই জন্মেছে। অভিনয়ে আগে-পরে পুরো প্রক্রিয়া জুড়ে যখন ক্যাথরিন জ্যাকসনের ব্যাপারে জেনেছি, তাতে বুঝেছি তার মার্জিত স্বভাব ও দৃঢ় মনোবলই মাইকেল জ্যাকসনের জন্য সুন্দর, স্বাভাবিক ও নিরাপদ একটি সুন্দর আশ্রয় তৈরি করে দিয়েছিল। শুধু শৈশবেই নয়, তার প্রাপ্তবয়স্ক জীবন জুড়েও সেই আশ্রয় অটুট ছিল।

এর আগে কথা বলতে এসেছিলেন আপনার দুই ‘ছেলে’ জাফার ও জুলিয়ান। তারা বলছিলেন, আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ার পরই তাদের মনে হয়েছিল আপনি যেন সত্যিই তাদের মা!

নিয়া লং: (হেসে) সম্ভবত এর কারণ আমি বাস্তব জীবনেও একজন মা। তাই স্বাভাবিকভাবেই আমার মধ্যে মাতৃত্ববোধ কাজ করে। শুধু নিজের সন্তানদেরই নয়, যেকোনো ছেলেমেয়েকেই মায়ের মতো স্নেহ করি। তরুণদের পথ দেখাতে আমার ভালো লাগে। আমি মনে করি, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এভাবেই আমরা মানবিকতা গড়ে তুলি। এভাবেই আমরা একে অন্যের কাছ থেকে শিখি। আর মা হিসেবে থাকা সত্যিই উপভোগ করি।

মজার বিষয় হলো, সেদিন ভাবছিলাম— আরে, আমি তো ক্যারিয়ারে বহুবার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। কিন্তু একজন অভিনেত্রীর সৌন্দর্যটাই হলো মায়ের নানা রূপ ধারণ করা যায়। স্বাভাবিকভাবেই প্রতিটি চরিত্রের ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতি অনুযায়ী আলাদা কিছু করতে হয়।


তবে আমি মনে করি, একজন ভালো মায়ের শক্তির মূল জায়গা হলো এমন একটি নিরাপদ আশ্রয় তৈরি করা, যেখানে সন্তান নিজেকে নিরাপদ মনে করবে, বেড়ে উঠতে পারবে এবং নিজের জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়ার সাহস পাবে। কারণ, জীবনের উদ্দেশ্য সবার কাছে রাতারাতি ধরা দেয় না। এজন্য খুঁজতে হয়, শিখতে হয় এবং ভুল করতে হয়। আবার কোনো কোনো শিশু হয়তো দুই বছর বয়সেই গান গেয়ে সবাইকে বুঝিয়ে দেয়, এটাই তার জীবনের পথ। একজন বিচক্ষণ মা প্রথম সেই প্রতিভাকে চিনে নিতে পারে। যে মুহূর্তে তিনি সেটি চিনতে পারেন, তখনই তিনি বুঝে যান সন্তানের সেই স্বপ্ন ও প্রতিভাকে লালন করার ক্ষেত্রে তার নিজের ভূমিকা কী হওয়া উচিত। সন্তানকে ধীরে ধীরে তার জীবনের লক্ষ্য খুঁজে পেতে এবং নিজের কাঙ্ক্ষিত জায়গা আবিষ্কার করতে দেখলে মায়ের মনে এক অসাধারণ সুন্দর অনুভূতি হয়।

 

 

    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১০ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    মরক্কো
    ০
    ১১ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ০
    বেলজিয়াম
    ০
    ১২ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    হাসপাতাল ছাড়া জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়

    হাসপাতাল ছাড়া জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০০:৩০

    শোকের মধ্যেই ইরানে পাল্টা হামলা, ভাঙনের মুখে যুদ্ধবিরতি সমঝোতা

    শোকের মধ্যেই ইরানে পাল্টা হামলা, ভাঙনের মুখে যুদ্ধবিরতি সমঝোতা

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৯

    আবার কাঁদল কারবালা

    আবার কাঁদল কারবালা

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:১১

    খামেনি অমর, অম্লান তার আদর্শ

    খামেনি অমর, অম্লান তার আদর্শ

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০৭

    বিপিডিবির সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি

    বিপিডিবির সঙ্গে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭

    বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান সম্পর্ক বহুমুখীকরণে জোর

    বাংলাদেশ-তাজিকিস্তান সম্পর্ক বহুমুখীকরণে জোর

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭

    ভারতের সরকার ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে জবাবদিহির নির্দেশ হাইকোর্টের

    ভারতের সরকার ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে জবাবদিহির নির্দেশ হাইকোর্টের

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫

    প্রবাসী বাকারের টাকায় শিক্ষার প্রসার

    প্রবাসী বাকারের টাকায় শিক্ষার প্রসার

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫

    ট্রাম্পের হুমকির পরপরই ইরানে ফের বোমা হামলা

    ট্রাম্পের হুমকির পরপরই ইরানে ফের বোমা হামলা

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৯

    মিছিলে উত্তেজনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মমতার ক্ষোভ

    মিছিলে উত্তেজনার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মমতার ক্ষোভ

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৪

    ‘কপালে ভাঁজ’ প্রশাসনের হাজার কর্মকর্তার

    ‘কপালে ভাঁজ’ প্রশাসনের হাজার কর্মকর্তার

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৮

    মাঠে তার হাঁটুজল থাকে

    মাঠে তার হাঁটুজল থাকে

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩০

    পরিকল্পনার গলদে মিলছে না মুক্তি

    পরিকল্পনার গলদে মিলছে না মুক্তি

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৩

    ছুটির ঘণ্টার আগেই শিশুদের মৃত্যুঘণ্টা

    ছুটির ঘণ্টার আগেই শিশুদের মৃত্যুঘণ্টা

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৮

    ইরানে আরও ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    ইরানে আরও ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৬

    advertiseadvertise