Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিনোদন

শেলী বিদেশ থেকে ফেরার আগেই মান্নার কবর খোঁড়া হয়ে গিয়েছিল

বিনোদন প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৮
শেলী বিদেশ থেকে ফেরার আগেই মান্নার কবর খোঁড়া হয়ে গিয়েছিল

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের শূন্য দশক-পরবর্তী চলচ্চিত্রের সময়টা এককভাবে নিজের আয়ত্তে রেখেছিলেন চিত্রনায়ক মান্না। সেই মান্না আকস্মিকভাবে 'নাই' হয়ে গেলেন। মান্নার মৃত্যু এখন পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেনি লক্ষকোটি ভক্ত। এখনো মান্নার জন্য চোখের জল আসে অজস্র অনুরাগীর।

আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি, চিত্রনায়ক মান্নার প্রয়াণের আজ ১৮ বছর। ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান সৈয়দ মোহাম্মদ আসলাম তালুকদার ওরফে মান্না। কিন্তু মান্নার ওই মৃত্যুকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক মানতে রাজি নন মান্নার স্ত্রী শেলী মান্না। তার দাবি মান্নাকে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।

কোনো প্রস্তুতি না রেখেই মান্নাকে হার্টের ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে, যেটা উন্নত বিশ্বের চিকিৎসাশাস্ত্রে ঘটে না। শেলী জানান, এ বছরই মান্নার শুনানি হবে, আর মানুষ জানবে মান্নার মৃত্যু কিভাবে হয়েছে। মান্নার স্ত্রী শেলী জানালেন, টাঙ্গাইলে মান্নার কবর হোক এটা তিনি চাননি। বিদেশ থেকে ফেরার আগেই কবর খোঁড়া হয়ে গিয়ছিল।

শেলী চেয়েছিলেন মান্নার কবর কাছাকাছি কোথাও হোক, যেন চাইলে তিনি সেখানে গিয়ে অশ্রুপাত করতে পারেন, দোয়া-দরুদ করতে পারেন। সেই আফসোসের স্মৃতি মনে করলেন শেলী। প্রয়াত এই অভিনেতার স্ত্রী বলেন, আসলে কী জানেন- মান্নার যে কবর হবে, এটা আমরা নিজেরাও চাইনি। ওটা অনেক দূরে। আমরা চাই কবর কবরস্থানেই হবে।

সব সময় দোয়া-দরুদ হবে। মানুষ প্রতিদিন মারা যাবে। আমি চাই এমন একটা জায়গায় কবর হোক, যেখানে আলেমদের যাওয়া সহজ হবে। আমি বিদেশ থেকে আসার আগেই কবর খোঁড়া হয়ে গেছে। আমার পারমিশন ছাড়াই। পারিবারিকভাবে ছিল, কিন্তু আমি তখন মনে মনে মনঃক্ষুণ্ণ হয়েছিলাম। আমার ছেলেকে কনভিন্স করেছে। আমার ছেলে বলে- থাক মা থাক। আমরা যাব সেখানে। আর কবর নাকি খোঁড়া হয়ে গেলে সেখানে কবর দিতেই হয়। সে জন্য সেখানেই মান্নাকে কবর দেওয়া হয়।

কবর নিয়ে নানা রকম কথা প্রচলিত। সেসব স্পষ্ট করেন শেলী। বললেন, এই কবর নিয়েও কিন্তু ভক্তরা অনেক ভুল তথ্য দিচ্ছে, আমি শুনলাম। সেটা হলো- মান্নার যেখানে কবর সেটা কিন্তু এজমালি কবর। মান্নার যে বাড়ি, আসল সম্পত্তি। সেসব পেয়েছিল ওর চাচা। উনি সব প্লট করে করে বিক্রি করে দিয়ে কানাডা চলে যান। ওখানে চাচার একটা বিল্ডিং, চাচাতো ভাইয়ের একটা বিল্ডিং, এপাশে ফুপুর একটা বিল্ডিং ছাড়া কিছু নেই। আর কোনো কিচ্ছু নাই। সবাই কিন্তু সব কিছু বিক্রি করে দিয়ে চলে গেছে। আর মসজিদের পেছনে যে মার্কেট, সেটা কিন্তু মান্নার নিজের মার্কেট ছিল। ও বেঁচে থাকা অবস্থাতেই বিক্রি করে দিয়েছিল। তখন বলা হলো, যেহেতু পারিবারিক একটা মসজিদ আছে, ও দোয়া-দরুদ পাবে। তখন তো ওখানে মান্নাকে কবর দেওয়া হলো।

শেলী জানান, মান্নার কবর সংস্কারের জন্য অনেকবার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। শ্বেত পাথর দিয়ে একটা অবয়ব দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। বললেন, ঢাকা থেকে উত্তমগুহকে নিয়ে গিয়েছিলাম। পরে পারিবারিকভাবে সবাই বলল- বর্ষার সময় কবর ডুবে যায়, মাটি ভরাট করতে হবে। আর এটা নিয়ে ভক্তরা নানা কথা লেখালেখি, কথা চালাচালি, ভুল বোঝাবুঝি করেছিল।

নায়ক মান্নার প্রথম ছবি ‌‌‌'তওবা'। ১৯৮৬ সালে নায়করাজ রাজ্জাকের এক বন্ধুর প্রযোজনাপ্রতিষ্ঠান থেকে নির্মিত ‘তওবা’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ ঘটে মান্নার। শুরুতে একের পর এক অ্যান্টি হিরো হিসেবে অভিনয় করেছেন মান্না। আশির দশকে মান্না যখন ছবিতে অভিনয় শুরু করেন, সে সময় রাজ্জাক, আলমগীর, জসীম, ফারুক, জাফর ইকবাল, ইলিয়াস কাঞ্চনের নায়ক হিসেবে বেশ দাপট। সেই দাপুটে অভিনেতাদের মাঝেও ‘তওবা’, ‘পাগলী’, ‘ছেলে কার’, ‘নিষ্পাপ’, ‘পালকি’, ‘দুঃখিনী মা’, ‘বাদশা ভাই’-এর মতো ব্যবসা সফল ছবি উপহার দিয়েছেন মান্না।

মান্না অভিনীত প্রথম ছবি ‘তওবা’ হলেও প্রথম মুক্তি পাওয়া ছবির নাম ‘পাগলী’। ১৯৯১ সালে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘কাশেম মালার প্রেম’ ছবিতে প্রথম একক নায়ক হিসেবে সুযোগ পেয়েছিলেন মান্না। এ ছবিটি সুপারহিট হওয়ার কারণে একের পর এক একক ছবিতে কাজ করার সুযোগ পান মান্না। এরপর কাজী হায়াতের ‘দাঙ্গা’ ও ‘ত্রাস’ তার ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে নাঈম-শাবনাজ, সালমান-শাবনূর, সানী-মৌসুমী জুটি বেশ সফল। তাদের পাশাপাশি মান্নাও দাঁড়িয়ে যান।

১৯৯৬ সালে সালমান শাহের হঠাৎ মৃত্যুতে প্রযোজক-পরিচালকেরা দিশাহারা হয়ে পড়লে সে সময়ে পরিচালকদের চোখে একমাত্র আস্থার নায়ক হিসেবে ধরা দেন মান্না। মান্নাও পুরো চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে নিজের কাঁধে তুলে নেওয়ার মতো কঠিন দায়িত্বটি নিষ্ঠার সঙ্গেই পালন করেন। ১৯৯৭ সালে নায়ক থেকে প্রযোজনায়ও আসেন মান্না। মান্নার প্রথম ছবি ‘লুটতরাজ’ সুপারহিট ব্যবসা করে। এরপর বাংলাদেশি চলচ্চিত্রে শুরু হয় মান্না অধ্যায়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মান্না একাই লড়ে গেছেন। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে তার নাম স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মান্নাশেলী
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise