বিশেষ সহানুভূতি পাচ্ছেন প্রশ্নপত্র ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীরা

প্রতীকী ছবি
চলতি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পুরাতন সিলেবাসের প্রশ্নপত্র ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের খাতা দেখা হবে সহানুভূতির সঙ্গে। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হলেও উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ক্ষতি হবে না বলে আশ্বস্ত করছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।
আজ বৃহস্পতিবার আগামীর সময়কে এমনটাই জানাচ্ছিলেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছিলেন, ‘বিষয়টি নজরে এসেছে। সহানূভূতিশীল অবস্থায় দেখা হবে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের খাতাগুলো। তবে কীভাবে, তা ঠিক করা হবে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে।’
তাছাড়া শিক্ষাবোর্ডের অন্য একটি সূত্র জানাচ্ছে, সিলেবাস ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্তদের চিহ্নিত করা হবে রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে এবং তাদের খাতাগুলো বিশেষভাবে দেখার জন্য দেওয়া হবে মৌখিক নির্দেশনা।
এর আগে গত বুধবার এসএসসি ও সমমানের প্রথম দিনের পরীক্ষায় একাধিক কেন্দ্রে ২০২৫ সালের সিলেবাসের ওপর পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে সৃজনশীল অংশের প্রশ্নপত্র বিতরণের সময় দুটি হলের ১৭৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ভুলবশত ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। দেড় ঘণ্টা পর বিষয়টি দায়িত্বরত ব্যক্তিদের নজরে আসলে দুটি হলের পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত সময় দিয়ে নেওয়া হয় পরীক্ষা।
একই ঘটনা ঘটে রায়পুরা সেরাজনগর এম. এ. পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে। সেখানে ১৪ জন পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের পুরোনো সিলেবাসের প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয় বেলা ১২ টা পর্যন্ত। তারপর অতিরিক্ত সময় দিয়ে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্রের ওপর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়।
তবে অতিরিক্ত ৪০ মিনিট সময় দিয়ে পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র কেড়ে নেন দায়িত্বরত শিক্ষকরা। অর্থাৎ নির্ধারিত ৩ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট লেখার সময় পান পরীক্ষার্থীরা।
ইতোমধ্যে দায়িত্বে অবহেলা করা কেন্দ্র সচিব ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষার সকল কার্যক্রম থেকে জড়িতদের দেওয়া হয়েছে অব্যাহতি।



