এডাস্টে এআই যুগে ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংগৃহীত ছবি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির অভূতপূর্ব প্রসারের ফলে বাড়ছে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি। এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের আধুনিক কৌশল ও পদ্ধতি শেখাতে অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (এডাস্ট) ‘ফ্যাক্ট-চেকিং মেথডোলজি ইন দ্য এআই এরা’ শীর্ষক একটি দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে গত শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কনফারেন্স রুমে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘দ্য ডিসেন্ট’-এর সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির। দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখা এবং সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার নানা দিক নিয়ে আলোকপাত করেন তিনি। এছাড়া তথ্যের বিভ্রান্তিজনিত তিনটি প্রধান ধারণা মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশন এবং মালইনফরমেশনের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক পার্থক্য তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অপতথ্য প্রতিরোধ করা এবং সত্য তথ্যকে ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে ব্যবহারের কৌশল চিহ্নিত করার বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সুস্পষ্ট ধারণা দেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এম. শামসুল আলম লিটন এআই প্রযুক্তির যুগে ফ্যাক্ট-চেকিংয়ের বাস্তব চ্যালেঞ্জ, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া গুজব শনাক্তকরণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি কনটেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা পরীক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
সমাপনী বক্তব্যে কর্মশালার সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ আলী আয়োজনের সার্বিক গুরুত্বের কথা ব্যক্ত করেন। এর আগে স্বাগত বক্তব্য দেন জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. সামসুল ইসলাম। এআই যুগে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেন বিভাগীয় উপদেষ্টা আলমগীর স্বাপন। এছাড়া বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. আব্দুল কাইউম সরদার।
বিভাগের প্রভাষক কেয়া বোসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রভাষক ও কো-অর্ডিনেটর জুবায়ের আহমেদ, প্রভাষক ফরহাদ আলমসহ অন্যান্য বিভাগের চেয়ারম্যান, শিক্ষকমণ্ডলী ও শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা যাতে ডিজিটাল মিডিয়া লিটারেসি, তথ্য যাচাইকরণ এবং নৈতিক সাংবাদিকতার চর্চা বাড়াতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এ একাডেমিক ও ব্যবহারিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়।



