শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্কে দূরত্বে উদ্বেগ বিইউবিটি ভিসির

বিইউবিটি ভিসি ড. এ বি এম শওকত আলী
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের পরিবর্তে দূরত্ব তৈরি হওয়াকে উদ্বেগজনক হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী। এই দূরত্ব কমাতে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দিলেন তিনি। সেই সঙ্গে কেন এ ধরনের সংকট তৈরি হচ্ছে তার কারণ ও সমাধান খুঁজতে গবেষণার কথাও বললেন।
গতকাল বুধবার বিকালে বিইউবিটি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন উপাচার্য। সেখানেই উঠে আসে এসব কথা।
দেশের শিক্ষা খাতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অগ্রগতি তুলে ধরে অধ্যাপক শওকত আলী বলেছেন, ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে করে আগামী দিনে দেশের শিক্ষা খাতে তারা অন্যতম বড় উদাহরণ হিসেবে আবির্ভূত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা ও নারী শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথাও তুলে ধরেন ড. শওকত আলী। বললেন, নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি, যেকোনো ধরনের হেনস্তা কিংবা কটাক্ষ করার বিরুদ্ধে বিইউবিটি প্রশাসন সবসময় কঠোর।
শিক্ষা কমিশনের প্রতিবেদনের বাস্তবায়ন না হওয়া প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে উপাচার্য বলছিলেন, ‘পূর্ব পাকিস্তানের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কোনো শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি বা প্রকাশ করা হয়নি। অথচ প্রতিটি কমিশনই তাদের সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। বাস্তবায়ন তো দূরের কথা, প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়াটা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত
ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. হারুন-অর-রশিদ, বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকস অনুষদের
ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাসুদ হুসাইন, সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন
অধ্যাপক ড. মুন্সী মাহবুবুর রহমান, আইন অনুষদের ডিন
অধ্যাপক ড. সৈয়দ সরফরাজ হামিদ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ আমিনুর রহমান এবং জনসংযোগ
দপ্তরের উপপরিচালক জিনাত জোয়ার্দার
রিপা।




