এপ্রিলেও ডিএসইর সূচকে যুক্ত হয়নি কোনো কোম্পানি

গ্রাফিক্স: আগামীর সময়
প্রতি তিন মাস পরপর সমন্বয় করা হয় দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক। এতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আসা কোম্পানিগুলো যুক্ত করা হয় মূল্যসূচকে। তবে গত ২ বছর ধরে আইপিও বন্ধ থাকায় চলতি বছরের ৩ মাসের (জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬) সমন্বয়ে এপ্রিল মাসেও ডিএসইর মূল মার্কেটের ডিএসইএক্স ও এসএমই প্ল্যাটফর্মের ডিএসএমইএক্স মূল্যসূচকে যুক্ত হয়নি নতুন কোনো কোম্পানি।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএসইর জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ তথ্য।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এপ্রিল পর্যন্ত আইপিও সংযোজনের জন্য ডিএসই বাংলাদেশ ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) এবং ডিএসই এসএমই গ্রোথ ইনডেক্সের (ডিএসএমইএক্স) ত্রৈমাসিক পর্যালোচনার সময় পাওয়া যায়নি নতুন কোম্পানির কোনো তালিকা। তাই এপ্রিলে ডিএসইএক্স এবং ডিএসএমইএক্স এর বিদ্যমান উপাদান তালিকায় হবে না কোনো সংযোজন।
ডিএসইএক্স এবং ডিএসএমইএক্স সূচকে নতুন কোম্পানি যুক্ত করার প্রধান ভিত্তি হলো- নির্দিষ্ট সময়ে নতুন আইপিও’র মাধ্যমে মূল বোর্ড বা এসএমই বোর্ডে তালিকাভুক্তি। ফলে নতুন কোনো কোম্পানির আগমন না ঘটায় বিদ্যমান সূচকের তালিকায় হচ্ছে না নতুন করে কোনো সংযোজন। নতুন আইপিও তালিকাভুক্ত না হওয়ায় সূচক দুটিতে তৈরি হয়নি কোনো সংযোজনের সুযোগ।
বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে সূচকগুলো পর্যালোচনা করা হয় নির্দিষ্ট সময় অন্তর। এই পর্যালোচনা বাজার ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি প্রতিফলিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সূচকে অন্তর্ভুক্তি বা অপসারণের বিষয়টি মূলত নির্ভর করে বাজারের গতিশীলতা, কোম্পানির বাজার মূলধন, তারল্য এবং অন্যান্য নির্দিষ্ট শর্তের ওপর।
ডিএসইএক্স: এটি ডিএসইর প্রধান সূচক, যা প্রতিনিধিত্ব করে বাজারে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ বড় ও মাঝারি মূলধনী কোম্পানির। এই সূচকের স্থিতিশীলতা নির্দেশ করে সার্বিক শেয়ারবাজারের অবস্থা।
ডিএসএমইএক্স: এটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের কোম্পানিগুলোর জন্য তৈরি একটি বিশেষায়িত সূচক, যা তুলে ধরে এই উদীয়মান খাতটির কার্যকারিতা (পারফরম্যান্স)।
সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শেয়ারবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তালিকাভুক্ত হয়েছিল ৯টি কোম্পানি।

