এক পলক
রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানি পুনর্বহাল চায় বারভিডা

সংগৃহীত ছবি
দেশে রিকন্ডিশন্ড ও ব্যবহৃত ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) আমদানির ওপর সম্প্রতি আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)। ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গতকাল বুধবার সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা বাজারভিত্তিক বাস্তবতা বিবেচনা করে শর্তসাপেক্ষে রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ পুনর্বহালের আবেদন জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বারভিডার সভাপতি আবদুল হক বলেছেন, সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন আমদানিনীতিতে ব্যবহৃত ইভি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা পরিবেশবান্ধব এবং নতুন প্রযুক্তির গাড়ি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতাদের সুযোগ অনেকটাই সীমিত করে দেবে।
ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, বর্তমানে বৈশ্বিক ও স্থানীয় বাজারে একেবারে নতুন ইলেকট্রিক গাড়ির দাম অত্যন্ত চড়া, যা দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। অথচ তুলনামূলক কম দামে রিকন্ডিশন্ড ইভি বাজারে সহজলভ্য হলে সাধারণ পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উদাহরণ টেনে বক্তারা জানালেন, যুক্তরাজ্য, জর্জিয়া, কেনিয়া, নিউজিল্যান্ড ও সৌদি আরবের মতো বহু দেশে নির্দিষ্ট বয়সসীমা এবং কারিগরি শর্ত মেনে ব্যবহৃত ইভি আমদানির আইনি সুযোগ চালু রয়েছে।
নিরাপত্তা ও মান নিশ্চিত করতে বারভিডা কয়েকটি সুনির্দিষ্ট শর্ত প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শুধু সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের পুরনো গাড়ি আমদানির অনুমতি দেওয়া, ব্যাটারির কার্যক্ষমতা বা ‘স্টেট অব হেলথ’ সর্বনিম্ন ৭০ শতাংশ থাকা বাধ্যতামূলক করা এবং আমদানির আগেই অনুমোদিত আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে কঠোর পরিদর্শন নিশ্চিত করা।





