মিরসরাইয়ে ২৪০ কোটি টাকা বিনিয়োগ র্যানকনের

ছবি: আগামীর সময়
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প ইউনিট স্থাপনে ইনভেস্ট বাংলাদেশের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে র্যানকন লুব্রিকেন্টস লিমিটেড।
আজ সোমবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ৬.৫ একর উন্নত জমির জন্য দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই ইজারা চুক্তি সম্পন্ন হয়।
প্রস্তাবিত এই শিল্প ইউনিটে ১৯.৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২৪০ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করবে র্যানকন লুব্রিকেন্টস। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০০-এরও বেশি মানুষের নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষে সংস্থাটির সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) নাহিয়ান রহমান রোচি এবং র্যানকন লুব্রিকেন্টস লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান জামান খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে নাহিয়ান রহমান রোচি বলেন, ‘দেশের তিনটি বিনিয়োগ প্রসার সংস্থার একীভূতকরণের পর ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম ভূমি ইজারা চুক্তি। র্যানকন লুব্রিকেন্টসের মতো শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের এই প্রতিশ্রুতি নবগঠিত এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাদের গভীর আস্থার প্রতিফলন। এটি অন্যান্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মাঝেও আস্থা গড়ে তুলতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’
চুক্তি অনুযায়ী, জমির দখল হস্তান্তরের তারিখ থেকে এই ইজারার মেয়াদ হবে ৫০ বছর, যা পরবর্তীতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাবলি সাপেক্ষে নবায়নযোগ্য। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জমির দখল হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। জমি হস্তান্তরের ১২০ দিনের মধ্যে র্যানকন লুব্রিকেন্টস নির্মাণকাজ শুরু করবে এবং পরবর্তী ৩৬ মাসের মধ্যে কারখানাটি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চুক্তির আওতায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠানটিতে ইউটিলিটি (বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি) সংযোগ প্রদানে এবং সরকার-ঘোষিত প্রযোজ্য শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও কর প্রণোদনা প্রাপ্তিতে প্রয়োজনীয় সার্বিক সহায়তা দেবে। অন্যদিকে, র্যানকন লুব্রিকেন্টস প্রয়োজনীয় সব সরকারি অনুমোদন গ্রহণ করবে এবং কারখানায় বর্জ্য ও পয়েন্টনিষ্কাশন শোধনাগার স্থাপনসহ পরিবেশ, শ্রম ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব বিধি মেনে চলতে বাধ্য থাকবে।
এছাড়া চুক্তিতে সার্বিক কার্যসম্পাদন ও বিধিপালন পর্যবেক্ষণ, কোনো নিয়ম লঙ্ঘন হলে তা সংশোধনের সুযোগ এবং প্রয়োজনে ‘সালিস আইন, ২০০১’-এর অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তির স্পষ্ট বিধান রাখা হয়েছে।



