বিইউবিটিতে ‘দ্য নেক্সট কম্পিউটিং এরা’ শীর্ষক লেকচার

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজিতে (বিইউবিটি) ‘দ্য নেক্সট কম্পিউটিং এরা: হোয়াট শুড উই বিল্ড ফর ২০৩৫?’ শীর্ষক ভাইস চ্যান্সেলরস লেকচার সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিইউবিটির ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হলে এ আয়োজন করে বিইউবিটি রিসার্চ গ্র্যাজুয়েট স্কুল।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে আইবিএম সফটওয়্যারের প্রিন্সিপাল প্ল্যাটফর্ম আর্কিটেক্ট মানসুরা হাবিবা। ভবিষ্যতের কম্পিউটিং প্রযুক্তির পরিবর্তন, উদীয়মান প্রযুক্তির সম্ভাবনা এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে কম্পিউটিং ব্যবস্থায় সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়ে তিনি আলোচনা করেন।
মূল প্রবন্ধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন উদীয়মান প্রযুক্তির বিকাশ, ভবিষ্যতের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ এবং নতুন প্রযুক্তি তৈরিতে গবেষণা ও উদ্ভাবনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন মানসুরা হাবিবা। বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতের কম্পিউটিংয়ের জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন, সে বিষয়েও তিনি আলোকপাত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিইউবিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী। সভাপতিত্ব করেন বিইউবিটি রিসার্চ গ্র্যাজুয়েট স্কুলের ডিন (অ্যাক্টিং) অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবিব।
অনুষ্ঠানে আইবিএমের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার র্যাফেলসিয়া খান উপস্থিত ছিলেন। তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শওকত আলী এ ধরনের আয়োজনকে স্বাগত জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা, উদ্ভাবন ও ব্যবহারিক জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ। পরিবর্তনশীল প্রযুক্তি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের প্রস্তুত হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে উদ্ভাবনী সমাধান তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিইউবিটির শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রযুক্তিতে আগ্রহী ব্যক্তিরা অংশ নেন। এ সময় ২০৩৫ সালের কম্পিউটিং প্রযুক্তির সম্ভাব্য গতিপথ, নতুন সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে মতবিনিময় হয়।



