ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ড্যাফোডিলের ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’

সংগৃহীত ছবি
দেশের তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানে উৎসাহিত করতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আয়োজন করতে চলেছে ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’। সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে ১১ ও ১২ জুলাই করা হবে এ আয়োজন। আয়োজনকে সামনে রেখে ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালাইন্সের সঙ্গে সমঝোতা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার এ বিষয়ে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এক সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে ছিলেন ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্সের প্রেসিডেন্ট ও স্কেলবিল্ড এআইয়ের সিইও উজ্জ্বল রায়, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফখরে হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ রাশেদ হায়দার নূরী, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. ইমরান মাহমুদ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. তাসলিম আরেফিন, কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রধান মো. সারওয়ার হোসাইন মোল্লাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকে।
সম্মেলনে জানানো হয়, হ্যাকাথনের মূল লক্ষ্য আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি। এতে অংশ নিতে পারবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। প্রতিটি দলে থাকবে তিনজন শিক্ষার্থী ও একজন মেন্টর। অনলাইনে নিবন্ধন করে জমা দেওয়া যাবে প্রস্তাবনা। পরে তা মূল্যায়ন করে নির্বাচিত দলগুলো অংশ নেবে চূড়ান্ত পর্বে।
বিজয়ী হলে পাওয়া যাবে ২ লাখ টাকার পুরস্কার। এ ছাড়া বিজয়ী দলগুলো ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্সের মাধ্যমে প্রজেক্টকে স্টার্ট-আপে রূপান্তরের জন্য ফান্ডিং, মেন্টরশিপ ও ইনকিউবেশনের সুযোগ পাবে ।
‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’-এর মাধ্যমে শক্তিশালী ইনোভেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।

