স্বল্পমূল্যে আবাসন ও কৃষিজমি রক্ষার অঙ্গীকার নতুন রিহ্যাব কমিটির

আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে রিয়েল এস্টেট এ্যান্ড হাউজিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর নবনির্বাচিত কমিটি
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) নবনির্বাচিত কমিটি।
আজ বুধবার রাজধানীতে রিহ্যাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম বোর্ড সভার মাধ্যমে নতুন কমিটি শুরু করে তাদের কার্যক্রম।
নতুন কমিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. আলী আফজাল এবং সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে রয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক। তারা আগামী দুই বছর দেবেন সংগঠনের নেতৃত্ব।
বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট-১ মোহাম্মদ আকতার বিশ্বাস, ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মো. বরকতুল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট-৩ এ এফ এম উবায়দুল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোরশেদুল হাসানসহ পরিচালকরা।
গত ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সদস্যদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন সাতজন অফিস বেয়ারার ও ২২ জন পরিচালক। আপিল প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার রাতে চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করে নির্বাচন বোর্ড।
নির্বাচিত পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ লাবিব বিল্লাহ, উম্মে জাহান আরজু, হাবিবুর রহমান হাবিব, এ জেড এম কামরুদ্দিন, ক্যাপ্টেন মো. শাহ আলম, মো. খাজা নাজিবুল্লাহ চৌধুরী, শেখ কামাল, মো. এমদাদুল হোসেন সোহেল, ড. এন জোহা, আলহাজ প্রফেসর মো. ফারুক আহমদসহ অন্যরা।
এ সময় সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও বিদায়ী সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন নতুন কমিটির কাছে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন কমিটির নেতারা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার তুলে ধরেন আবাসন খাতের উন্নয়নে। তারা বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন কৃষিজমি সংরক্ষণের ওপর।
তাদের মতে, অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে কৃষিজমি, যা দেশের খাদ্যনিরাপত্তার জন্য তৈরি করছে বড় ঝুঁকি। এ অবস্থায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় টেকসই ও পরিকল্পিত নগরায়ণের ওপর দেওয়া হবে গুরুত্ব। এ ছাড়া ঢাকার আশপাশে প্রায় ৪৫ লাখ টাকার মধ্যে ছোট আকারের ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তারা।
এর মাধ্যমে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসনের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্মাণ ব্যয় কমাতে উঁচু ভবন নির্মাণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সরকারের নীতিগত সহায়তার ওপর দেওয়া হবে জোর।
নবনির্বাচিত কমিটির নেতারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে একদিকে রক্ষা পাবে কৃষিজমি, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসনের উন্মোচিত হবে নতুন দিগন্ত।



