কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে জাতীয় মডেল জাতিসংঘ সম্মেলন সম্পন্ন

সংগৃহীত ছবি
বর্ণাঢ্য সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে (সিইউবি) সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘সিইউবি ন্যাশনাল মডেল ইউনাইটেড নেশনস (এমইউএন) ২০২৬’। গত শনিবার রাজধানীর ওয়াটারফ্রন্ট কনভেনশন হলে আয়োজিত এই সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো জাতীয় পর্যায়ের এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মেলনের। এর আগে ২৫ জুন সিইউবি’র নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছিল।
এবারের সম্মেলনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ), ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (ইডব্লিউইউ), আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি)-সহ দেশের ৩০টি স্বনামধন্য সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের আদলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে বিতর্ক, আলোচনা ও কূটনৈতিক তৎপরতায় অংশ নেন। একই সঙ্গে তারা বিভিন্ন প্রস্তাবনা উপস্থাপনের মাধ্যমে নিজেদের বিশ্লেষণী দক্ষতা, নেতৃত্ব, সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি এবং জনসমক্ষে বক্তব্য প্রদানের সক্ষমতা তুলে ধরেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিনিধিদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ক্রেস্ট, সনদপত্র ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য (মনোনীত), রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি এবং অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা মন্তব্য করেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব, কূটনৈতিক দক্ষতা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সম্পর্কে সচেতনতা এবং সহযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে মডেল জাতিসংঘ সম্মেলন অত্যন্ত কার্যকর একটি প্ল্যাটফর্ম। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বাস্তবধর্মী অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি ভবিষ্যতের দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সম্মেলনটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা প্রদান করেছে জেপিএন কনসালটেন্সি, বিজম্যান ও নেসলে বাংলাদেশ পিএলসি। আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল চ্যানেল আই। কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি বিকাশে আগামীতেও এ ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে।




