কীটনাশক, সার ও পশুখাদ্য উৎপাদনে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব

সংগৃহীত ছবি
প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতের উৎপাদন বাড়াতে এবং স্থানীয় শিল্পকে সুরক্ষা দিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে একাধিক শুল্ক ও কর-সুবিধার প্রস্তাব করেছে সরকার। একই সঙ্গে কয়েকটি পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে দেশীয় উৎপাদকদের জন্য সুরক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।
দেশে স্থানীয়ভাবে কীটনাশক ও বালাইনাশক উৎপাদনকে উৎসাহ দিতে কীটনাশক উৎপাদনে রেয়াতি সুবিধা প্রদানসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে ৩৬টি কাঁচামাল আমদানিতে মূল্য সংযোজন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ভ্যাট পুরোপুরি মওকুফ করে শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়।
বাজেট প্রস্তাবে কৃষি উপকরণ উৎপাদনে দেশীয় শিল্পকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সার উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানিতেও রেয়াতি সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পশুপালন খাতের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভেটেরিনারি ওষুধ আমদানির ক্ষেত্রেও সুবিধা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডভিত্তিক পণ্যের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট জেনেরিক শ্রেণির পণ্যে শূন্য শতাংশ হারে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে।
এতে প্রয়োজনীয় পশু চিকিৎসাসামগ্রীর সরবরাহ আরও সহজ হবে। দেশে কাজুবাদাম চাষ ও প্রক্রিয়াজাত শিল্পকে উৎসাহ দিতে আমদানীকৃত অপ্রক্রিয়াজাত ও প্রক্রিয়াজাত কাজুবাদামের ওপর শুল্ক উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
বর্তমানে যথাক্রমে ১ শতাংশ ও ৫ শতাংশ শুল্ক থাকলেও তা বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে। তবে দেশীয় উৎপাদকদের জন্য কাঁচা কাজুবাদাম আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে।






