Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় অর্থনীতি

ক্যাশ-লাইট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘এমবিএল রেইনবো’

অর্থনৈতিক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৬
ক্যাশ-লাইট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘এমবিএল রেইনবো’

বাংলাদেশকে একটি ক্যাশ-লাইট বা নগদবিহীন দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের ব্যাংক খাতে বর্তমানে দ্রুতগতিতে যুগান্তকারী রূপান্তর ঘটছে। এই রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সমন্বিত বা ইন্টারঅপারেবল কুইক রেসপন্স বা কিউআর কোডভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থা— যার নাম ‘বাংলা কিউআর’। দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি জাতীয় পর্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। সাধারণ জনগণকে ডিজিটাল পেমেন্ট নেটওয়ার্কের আওতায় যুক্ত করতে তারা কার্যক্রম জোরদার করেছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি এসেছে ব্যাংকের নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘এমবিএল রেইনবো’-এর মাধ্যমে। এই অ্যাপে বাংলা কিউআর সুবিধা যুক্ত করার ফলে বিপুলসংখ্যক গ্রাহক সহজেই ক্যাশলেস ইকোসিস্টেমে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন। একই সঙ্গে মার্চেন্ট অ্যাকোয়ারিং বা ব্যবসায়ী যুক্ত করার ক্ষেত্রেও তারা সর্বদা তৎপরতা বজায় রেখেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও ব্যাংক, এমএফএস এবং অন্যান্য পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর পৃথক কিউআর ব্যবস্থার কারণে একটি বিচ্ছিন্ন ইকোসিস্টেম তৈরি হয়েছিল। ফলে একজন মার্চেন্টকে একাধিক প্রতিষ্ঠানের কিউআর প্রদর্শন করতে হতো এবং গ্রাহকদেরও নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভর করতে হতো। বাংলা কিউআর সফলভাবে এই সীমাবদ্ধতা দূর করে একটি একক ও আন্তঃকার্যক্ষম প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে একটিমাত্র কিউআর কোড স্ক্যান করেই বিভিন্ন ব্যাংক, এমএফএস ও পেমেন্ট সেবাদাতার গ্রাহকরা নিজেদের মধ্যে লেনদেন করতে পারবেন। তারা ‘এমবিএল রেইনবো’ বা যেকোনো অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে একই কিউআরে নির্বিঘ্নে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।

মার্চেন্টদের জন্য সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, শুধু একটি কিউআর দিয়েই বৃহত্তর গ্রাহকগোষ্ঠীকে সেবা দেওয়ার সুযোগ। এতে দৈনন্দিন ব্যবসা পরিচালনার জটিলতা কমবে এবং ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের হার বৃদ্ধি পাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ধরনের জাতীয় ও আন্তঃকার্যক্ষম পেমেন্ট অবকাঠামো ডিজিটাল অর্থনীতির অভূতপূর্ব বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আন্তর্জাতিক ইএমভিকো স্ট্যান্ডার্ডের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই কিউআর প্রযুক্তি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে অত্যন্ত কার্যকর। কারণ, এতে ব্যবসায়ীদের আলাদা করে কোনো পিওএস টার্মিনাল কেনার বাড়তি খরচের প্রয়োজন হয় না।

এটি মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর অংশ। এই আধুনিক ব্যবস্থায় এনক্রিপ্টেড ডেটা ট্রান্সমিশন, গ্রাহকের সঠিক প্রমাণীকরণ, রিয়েল-টাইম মনিটরিং, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং জালিয়াতি শনাক্তকরণ ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ভারতের ইউপিআই, থাইল্যান্ডের প্রম্পটপে, কম্বোডিয়ার বাকং এবং ব্রাজিলের পিক্স দেখিয়েছে যে, একটি একক জাতীয় পেমেন্ট অবকাঠামো কীভাবে দ্রুতগতিতে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যাপক প্রসার ঘটাতে পারে। বাংলা কিউআরও বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একই ধরনের অপার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এর সফলতা নির্ভর করবে দেশব্যাপী ব্যাপক মার্চেন্ট গ্রহণযোগ্যতা, গ্রাহকের অগাধ আস্থা এবং প্রাত্যহিক জীবনের ব্যবহারিক সুবিধাগুলোর ওপর।

মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মতিউল হাসান বলেছেন, ‘মার্কেন্টাইল ব্যাংক এমন একটি টেকসই মার্চেন্ট নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চায়, যেখানে ডিজিটাল পেমেন্ট হবে দৈনন্দিন ব্যবসার একটি স্বাভাবিক অংশ।’

তৃণমূলপর্যায়ে ব্যাংকটির সাম্প্রতিক মার্চেন্ট অ্যাকোয়ারিং ড্রাইভ তাদের এই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তব বহিঃপ্রকাশ।

ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ বাড়াতে গ্রাহকপর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টি ও প্রণোদনা প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ‘এমবিএল রেইনবো’ অ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য ক্যাশব্যাক সুবিধা, বিশেষ ডিসকাউন্ট, আকর্ষণীয় মার্চেন্ট অফার এবং দেশব্যাপী সচেতনতামূলক উদ্যোগ গ্রহণের বিষয় ব্যাংকটি বিবেচনা করছে। ব্যাংকিং প্রযুক্তির প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াতে মার্কেন্টাইল ব্যাংক সারা দেশে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন করছে। নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি হ্রাস ও তাৎক্ষণিক লেনদেন নিষ্পত্তির সুবিধাগুলো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে তুলে ধরা হচ্ছে।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের প্রাতিষ্ঠানিক ঋণপ্রাপ্তিতে অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধকতা ক্যাশ ফ্লো স্টেটমেন্টের অভাব। নিয়মিত বাংলা কিউআর ব্যবহার করলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর প্রতিদিনের কেনাবেচার টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ডেবিট ও ক্রেডিট হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে ব্যবসায়ীর একটি নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল আর্থিক প্রোফাইল তৈরি হয়ে যায়। এই ডেটা অ্যানালিটিকস ব্যবহার করে ব্যাংকগুলো পরে জামানত ছাড়াই মাইক্রো বা ন্যানো লোন দিতে পারে। এ ছাড়া এতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্যাশ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি ও আনুষঙ্গিক খরচ অনেকটাই কমে আসছে। ছেঁড়া-ফাটা ও নকল নোট ব্যবস্থাপনার মতো জটিল বিষয়গুলোও সহজ হচ্ছে। ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনার চাপ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে।

স্বল্পমেয়াদে এটি আয় বৃদ্ধির চেয়ে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির উদ্যোগ হলেও, দীর্ঘমেয়াদে লেনদেন বৃদ্ধি ও মূল্য সংযোজনভিত্তিক সেবার মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে। বাংলা কিউআর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, সাধারণ মানুষের নগদ ব্যবহারের দীর্ঘদিনের আচরণগত অভ্যাস পরিবর্তন করা। তবে সঠিক সচেতনতা, নিরবচ্ছিন্ন সেবা, মার্চেন্ট গ্রহণযোগ্যতা ও প্রণোদনামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ‘এমবিএল রেইনবো’ এবং বাংলা কিউআর দেশের অন্যতম প্রধান ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামো হিসেবে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ক্যাশ-লাইট বাংলাদেশ নির্মাণে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

ক্যাশ-লাইটএমবিএলরেইনবোনগদ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: