দুই সপ্তাহ পর নোয়াখালীর আট পৌরসভায় জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসেবা চালু

আইডি জটিলতা কাটিয়ে হাতিয়াসহ আট পৌরসভায় শুরু নিবন্ধনসেবা। ছবি: আগামীর সময়
নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালকের (ডিডিএলজি) জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনসংক্রান্ত আইডি চালু হয়েছে। আর এতে হাতিয়াসহ জেলার আটটি পৌরসভায় কয়েক দিন ধরে বন্ধ থাকা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনসেবা আবারও শুরু হয়েছে।
সোমবার সহকারী রেজিস্ট্রার জেনারেল (আইসিটি ও উন্নয়ন, অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বললেন, ‘আপনার ইমেইল দেখেছি এবং ডিডিএলজির নিবন্ধন আইডি প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি।’
জানা যায়, ডিডিএলজির নিবন্ধন আইডি না থাকায় নতুন দায়িত্ব পাওয়া হাতিয়া পৌর প্রশাসকের জন্য প্রয়োজনীয় নিবন্ধন আইডিও তৈরি করা সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে হাতিয়াসহ নোয়াখালী জেলার আটটি পৌরসভায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এতে প্রতিদিন শতাধিক সেবাপ্রত্যাশী সেবা না পেয়ে ফিরে যান।
হাতিয়া পৌরসভার শূন্যেরচর এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিন বলছিলেন, ‘নাতির জন্মনিবন্ধন করতে এসে কয়েকবার ফিরে যেতে হয়েছে।’
লক্ষ্মীদিয়া এলাকার জাহানারা বেগম জানান, ‘মায়ের মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য টানা দুই দিন পৌরসভায় এসেও সেবা পাইনি।’
হাতিয়া পৌরসভার কম্পিউটার অপারেটর মো. নাঈম বললেন, ‘ডিডিএলজির আইডি না থাকায় পৌর প্রশাসকের নিবন্ধন আইডিও তৈরি করা যাচ্ছিল না। ফলে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের কার্যক্রম বন্ধ ছিল।’
স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক (ডিডিএলজি) ডা. মো. শেখ ছাদেক বলেছেন, ‘নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর নিবন্ধন আইডি না পাওয়ায় এ জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। সোমবার আইডি চালু হওয়ার পর বিকেল থেকেই হাতিয়াসহ জেলার সব পৌরসভায় নিবন্ধনসেবা স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়েছে।’




