আসিফ-হাসনাতের বিরুদ্ধে মোস্তাক মিয়ার অভিযোগ মিডিয়ায় ভাইরাল

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া। ফাইল ছবি
‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারাই বৈষম্য করেছেন’— কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়ার এ মন্তব্যের ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সম্প্রতি বিএনপির একটি অনুষ্ঠানে ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তৎকালীন দুই নেতার বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকার বৈষম্যের অভিযোগ তোলেন মো. মোস্তাক মিয়া।
তারা হলেন— অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। দুজনই কুমিল্লার বাসিন্দা এবং এনসিপির শীর্ষ নেতা।
এই দুই নেতার বিরুদ্ধে দেওয়া মোস্তাক মিয়ার বক্তব্যটি মূহুর্তেই ভাইরাল হয় বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে। এই বক্তব্য প্রচারের পর অভিযোগকারী মোস্তাক মিয়ার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ। এসময় তাদের মধ্যে উচ্চবাচ্য বিনিময় হয়। সেই কথোপকথনও ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
এ বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে বিএনপিসহ সারা দেশের ছাত্র জনতার অংশগ্রহণে স্বৈরাচারের পতন ঘটে। অথচ কতিপয় ছাত্রনেতা অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গায়ের জোরে অনিয়ম ও বৈষম্য সৃষ্টি করেছেন।’
তার ভাষ্য, ‘আমি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে বলতে চাই, আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া ও হাসনাত আবদুল্লাহ তৎকালীন জেলা পরিষদের মাধ্যমে নিজেদের দুই উপজেলায় ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে আমার জেলার অন্য ১২টি উপজেলার সঙ্গে বৈষম্য করেছেন।’ উল্লেখিত তহবিলের টাকা ছাড়াও তারা দুজন তাদের এলাকার বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আরো অনেক বড় বড় বরাদ্দ এনেছেন বলে দাবি করেছেন মোস্তাক মিয়া।
মুরাদনগর ও দেবিদ্বারে এই অর্থ নির্দিষ্ট প্রকল্পে ব্যবহার হয়েছে কিনা— এ প্রশ্নের জবাবে মোস্তাক মিয়া বলেছেন, ‘আমার কথা তো সেটা না, আমি বলতে চেয়েছি তারা নিজেদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শীর্ষ নেতা দাবি করেন। মুখে অনেক সংস্কারের কথা বলেন, অথচ নিজেরাই বড় বৈষম্য করেন। আর বরাদ্দের টাকার সঠিক ব্যবহার ও বাস্তবায়ন হয়েছে কিনা সেটা তাদের এলাকার জনগণ হিসাব নেবেন।’




