চৌদ্দগ্রামে লরি উল্টে স্কুলছাত্র নিহত, আহত ১

আগামীর সময় গ্রাফিক্স
স্কুলে যাওয়া হলো না হাসিবুল ইসলাম জিহানের (১১)। নিয়ন্ত্রণহীন লরির চাপায় সড়কেই নিভে গেল তার জীবন প্রদীপ। একই সময়ে গুরুতর আহত হয় সহপাঠী মেহজাবিন আক্তার তানিসা (১১)। তারা দু’জন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই-বোন।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় লরির চাপায় সড়কেই মারা যায় প্রবাসী আবুল হোসেন ও অঞ্জু আক্তার দম্পতির ছেলে জিহান। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহাব উদ্দিন।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ওসি শাহাব উদ্দিন জানান, শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওয়াকওয়ে দিয়ে হেঁটে স্কুলে যাচ্ছিল জিহান ও তানিসা। দুর্ঘটনাটি ঘটে আমানগন্ডা তাকিয়া আমগাছ নামক স্থানে। পেছন থেকে আসা চট্টগ্রাম অভিমুখী লরিটি উল্টে যায় মহাসড়কের পাশে। লরির নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় জিহান।
এ সময় গুরুতর আহত হয় জিহানের চাচাতো বোন তানিসা। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং হাইওয়ে পুলিশ জিহানের লাশ উদ্ধার করে। আহত তানিসাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায় তারা। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষেও অবস্থার অবনতি হয়। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা।
নিহতের চাচাতো ভাই মো. খালেদ জানান, জিহান ও তানিসা অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তারা প্রতিদিন একসঙ্গে স্কুলে আসা-যাওয়া করত। শনিবার সকালেও দুজন একসঙ্গেই বাড়ি থেকে বের হয়। তবে আর ফেরা হলো না জিহানের।
ওসি শাহাব উদ্দিন জানান, ঘাতক লরিটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে জিহানের লাশ।




