গজারিয়া
বর্ষা এলেই বাড়ে সাপ আতঙ্ক!

সংগৃহীত ছবি
বর্ষা এলেই সাপের উপদ্রব বেড়ে যায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার বিভিন্ন এলাকায়। গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ মাসে অর্ধ শতাধিক মানুষ সাপে কাটার শিকার হয়েছেন।
এর মধ্যে অনেকেই গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এদিকে বিষধর সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনমের ব্যবস্থা করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ তৎপর রয়েছেন বলে দাবি গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী।
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে প্রতি মাসে গড়ে ৯ জন সাপে কাটা রোগী সেখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ ছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার রোগীরা পার্শ্ববর্তী সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ ক্ষেত্র বিশেষে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুইজন সাপে কাটা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে গত সোমবার (২১) সেপ্টেম্বর উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের আড়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল হোসেনের মেয়ে ৪ বছর বয়সী ফাতেমা ও এর আগে হোসেন্দী ইউনিয়নের লস্করদী গ্রামের বাসিন্দা আমজাত মিয়া সাপের কামড়ে মারা যান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে উপজেলার চরবলাকী, ভাটি বলাকী, ইসমানীরচর, নয়ানগর, গোয়ালগাঁও, রায়পাড়া ও বালুয়াকান্দী এলাকার সাপে কাটা রোগীর স্বজনেরা সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে আক্রান্ত রোগির চিকিৎসার জন্য যান।
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা শারমীন আহমেদ তিথী বলেন, গত ৬ মাসে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ জন সাপে কাটা রোগী এসেছেন।
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. খন্দকার আরশাদ কবির আতিক বলেন, ‘সাপে কাটার সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে। ওঝা বা কবিরাজের কাছে গেলে মূল্যবান সময় নষ্ট হয়, যা জীবনঘাতি হতে পারে।'



