Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
কেঁচো সারে বগুড়ার লিমার বাজিমাত
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

চশমা পরা পাখি শ্বেতাক্ষী

রংপুর অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ১৬:৫২
চশমা পরা পাখি শ্বেতাক্ষী

সংগৃহীত ছবি

‘চট্রগ্রাম হাজারিখিল এলাকায় দোয়েল, কাঠশালিক, হলদে বউ, বড় বসন্তবাউরি, তিলা ঘুঘু, লেজ নাচুনে, টুনটুনিসহ অনেক পাখির ছবি তুলেছি। কিন্তু শ্বেতাক্ষী বা বাবুনাই সত্যিই আমার মন কেড়েছে। চোখে চশমাপরা ছোট্ট সুন্দর একটি পাখি। অনেকগুলো পাখির মধ্যে ছটফটে স্বভাবের এ পাখিটিই ছিল সবচেয়ে সুন্দর’— কথাগুলো বলছিলেন কবি-সাহিত্যিক ও ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার রানা মাসুদ।

ছোট্ট, সুন্দর ও মায়াবী পাখি শ্বেতাক্ষী। শ্বেত-চোখ পরিবারের এই পাখিটি চশমা পাখি বা চশমা টুনি নামেও পরিচিত। এরা ছোট ছোট দলে চারণ করে, অমৃত এবং ছোট পোকামাকড় খায়। এদের স্বতন্ত্র চোখের চারদিক ঘিরে সাদা বলয় এবং সামগ্রিক হলুদ বর্ণের উপরের অংশ দ্বারা সহজেই শনাক্ত করা যায়। এটি ভারতীয় উপমহাদেশে উন্মুক্ত অরণ্যে বসবাসকারী পাখি। ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়াও ওমান, ইরান, আফগানিস্তান, চীন, মিয়ানমার প্রভৃতি দেশে এদের দেখা যায়।

সম্প্রতি চট্রগ্রামের হাজারিখিল এলাকায় এ পাখিটির ছবি তুলেছেন রংপুরের ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার রানা মাসুদ। তিনি জানান, পাখিটা খুব চঞ্চল। সঠিক ফোকাস করে এদের ছবি তোলা খুব কঠিন, এদের ছবি তুলতে হয় ধৈর্য নিয়ে।

শ্বেতাক্ষী এ দেশের অন্যতম ছোট পাখি। সবচেয়ে ছোট পাখি ফুলঝুরির পরই এটার স্থান। মাত্র ১০ সেন্টিমিটার লম্বা ও ৯ গ্রাম ওজন। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির মাথা ও পিঠ হলুদাভ-সবুজ। ডানা ও লেজ কালচে। গলা, বুকের উপরাংশ ও লেজের তলা উজ্জ্বল হলুদ। বুক ও পেট সাদা। চোখের কোনায় কালচে দাগ। চোখ বাদামি-হলুদ। ঠোঁট কালচে ও নিচের ঠোঁটের গোড়া বাদামি। পা, পায়ের পাতা ও নখ ধূসর-বাদামি।

এটি পুরোপুরি বৃক্ষচারী পাখি, গাছের শাখায়, পাতায় ও ফুলে লাফিয়ে লাফিয়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। কখনো কখনো উল্টো হয়ে ডালে ঝুলে ফুলের মধু পান করে বা ফল খায়। কীটপতঙ্গ, ফুলের রস, পাকা ফল ও বীজ তাদের প্রিয় খাদ্য। ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ খেয়ে এবং ফুল-ফলের পরাগায়ন করে প্রকৃতিকে সজীব রাখে।

অপরূপ রূপের অধিকারী পাখি শ্বেতাক্ষী বা বাবুনাই স্ত্রী ও পুরুষ দেখতে একই রকম। মূলত প্রজননের সময় এরা সুরেলা কণ্ঠে গান গায়। দীর্ঘসুরে গান গাইতে পারে না। বড়জোর ৮-১০ সেকেন্ড দম আটকে রাখতে পারে। ‘সিসি.. টিসির..’ শব্দে ডাকাডাকি করে। এপ্রিল থেকে জুন এদের প্রজনন সময়। এ সময় গাছের সরু শাখায় ঘন পাতার আঁড়ালে সরু শিকড়, মাকড়সার জাল দিয়ে গোলাকার ঝুলন্ত বাসা বানায় শ্বেতাক্ষী।

বাসা বাঁধতে এরা তিন-চার দিন সময় নেয়। বাসা তৈরি হয়ে গেলে স্ত্রী পাখি ডিম পাড়ে বড়জোর দু-তিনটি, রঙ ফ্যাকাশে নীল। ৯ থেকে ১১ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। বাংলাদেশের আর কোনো পাখির ডিম এত অল্প সময়ে ফুটতে দেখা যায় না। ছানারা প্রায় ১০ দিনে উড়তে শেখে, স্বাবলম্বী হতে সময় নেয় ৩০-৩৫ দিন।

শ্বেতাক্ষী পাখিচশমা পরা পাখিশ্বেতাক্ষীবাবুনাইচট্রগ্রাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভারতের

    হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভারতের

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    শেয়ার পার্কিং সফটওয়্যারে কারসাজি

    শেয়ার পার্কিং সফটওয়্যারে কারসাজি

    বিশ্বযুদ্ধের ছাই থেকে যেভাবে জাতিসংঘের জন্ম

    বিশ্বযুদ্ধের ছাই থেকে যেভাবে জাতিসংঘের জন্ম

    আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

    আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

    বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের পাইপ অপসারণের নির্দেশ

    বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের পাইপ অপসারণের নির্দেশ

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি করছে সরকার, অভিযোগ নাহিদের

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি করছে সরকার, অভিযোগ নাহিদের