সেতুমন্ত্রী
ঠিকাদার পালিয়ে যাওয়ায় বন্ধ মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ

মেগা প্রকল্পের নামে বিগত সরকারের আমলে ব্যাপক লুটপাট ও অর্থ পাচার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ঠিকাদাররা পালিয়ে যাওয়ায় ১৬টি প্রকল্পের কাজ শুরু হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এরপর কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে।
‘প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে এবং ২০ লাখ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক ঋণ রেখে যাওয়া হয়েছে, যা বর্তমান রাষ্ট্র পরিচালনায় বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে’— ব্যাখ্যা মন্ত্রীর।
‘১৬টি মেগা প্রকল্পের বিপুল অর্থ ব্যয় হয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি। ঠিকাদাররা কাজ ফেলে পালিয়ে গেছেন, ফলে প্রকল্পগুলো আবার শুরু করা যাচ্ছে না। এ ছাড়া গত ১৮ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে দাতা সংস্থাগুলো এখন বড় প্রকল্পে অর্থায়নে অনীহা প্রকাশ করছে’— যোগ করলেন তিনি।
এ সময় পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের ইতিহাসও তুলে ধরলেন শেখ রবিউল আলম। ‘২০০২-০৫ সালের মধ্যে এই সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডি এবং মাওয়া প্রান্তে অ্যালাইনমেন্টের কাজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলেই সম্পন্ন হয়েছিল।’
অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন সেতু বিভাগের নির্বাহী পরিচালক ও সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান।
স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম নাসিরউদ্দিন সরদার, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ শরীফ-উজ-জামানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।




