ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরার রাজকীয় মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

নোয়াখালীতে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন— সংগৃহীত ছবি
নোয়াখালীতে খাসজমি দখল করে গড়ে ওঠা মাদক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের আস্তানা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে চাটখিল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ভীমপুর গ্রামের বেদে পল্লীতে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান।
প্রশাসন জানায়, চাটখিলে সড়ক ও জনপথের (সওজ) খাসজমি দখল করে বিলাসবহুল ঝুপড়ি ঘরের আড়ালে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। অভিযানে স্থাপনাটি ভেঙে ফেলা হয় এবং এলাকাটি দখলমুক্ত করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই স্থানের কারণে এলাকার সামাজিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।
এর আগে গত রবিবার বিকালে চাটখিল থানা পুলিশ ওই আস্তানায় অভিযান চালায়। এ সময় একটি এসির রিমোট, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সাতটি মাদক মামলার আসামি ববিতা আক্তার সুমাইয়া (৩৫) পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তার মেয়ে ও ভাগ্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ।
প্রশাসন জানায়, ওই স্থানে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ চারলেন সড়কের উন্নয়নকাজ চলমান। ফলে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে উন্নয়ন কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ইউএনও মিজানুর রহমান বলেছেন, ‘সরকারি জায়গা দখল করে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না। চারলেন সড়কের উন্নয়নকাজ নির্বিঘ্ন করতে এবং এলাকাকে সামাজিক অপরাধমুক্ত রাখতে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।’
অভিযানের পর স্থানীয় বাসিন্দারা স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।




