ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ১৩ কিলোমিটার ধীরগতি

ছবি: আগামীর সময়
ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের মানুষ। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে এর চাপ পড়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে। ১৩ কিলোমিটার জুড়ে দেখা গেছে যানবাহনের ধীরগতি। তবে নেই যানজট।
সকাল থেকে মহাসড়কের গোড়াই, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল বাইপাস, রাবনা বাইপাস, এলেঙ্গা ও যমুনা সেতুর পূর্ব পাড় পর্যন্ত যানবাহনের ব্যাপক চাপ। দূরপাল্লার গাড়ির পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে করে গন্তব্যে ছুটছেন যাত্রীরা।
মহাসড়কে টহল দিতে দেখা গেছে ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেটকে। কোরবানি পশুবাহী ট্রাক ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল এবং যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে চলছে নজরদারি।
জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানিয়েছেন, যানজট নিরসনে মহাসড়কে বিভিন্ন স্থানে কাজ করছেন এক হাজার পুলিশ সদস্য। চুরি-ছিনতাই ও ডাকাতি ঠেকাতেও মহাসড়কে গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোয় চলছে টহল। বিশেষ নজরদারি আছে যমুনা সেতুতেও। ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা এই মহাসড়কে নির্বিঘ্ন।
এদিকে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।
যমুনা সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন এ তথ্য। সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপারের জন্য ১৮টি বুথ বসানো হয়েছে বলেও জানালেন তিনি।






