বিএনপি নেতার মারধরে কলেজছাত্রের মৃত্যু

শফি উল্লাহ
কক্সবাজারের টেকনাফে চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত কলেজছাত্র মারা গেছেন। আজ রবিবার সকালে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামাল আহমদ ও তার সহযোগীদের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন ওই শিক্ষার্থী।
নিহত শফি উল্লাহ (২২) উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের পুরাতনপাড়া এলাকার হাফেজ মুখতার আহমদের ছেলে। তিনি হ্নীলা মঈনুদ্দীন মেমোরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
টেকনাফ থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, চলাচলের পথ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধের জেরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্র বলছে, বসতবাড়িতে যাতায়াতের পথ নিয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামাল আহমদ ও তার লোকজনের সঙ্গে শফি উল্লাহদের প্রায় আট বছর ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলা বিচারাধীন। শনিবার ওই মামলার তদন্তে টেকনাফ থানা-পুলিশের একটি দলের ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ পৌঁছানোর আগেই কামাল আহমদ ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শফি উল্লাহদের ওপর হামলা চালায়।
নিহতের বড় ভাই সিদ্দিক আহমদের অভিযোগ, হামলার সময় শফি উল্লাহর মাথায় লাঠির আঘাত লাগলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। প্রথমে তাকে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। হামলায় তার আরও তিন ভাইসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
সিদ্দিক আহমদ আরও অভিযোগ করেন, কামাল আহমদ আগে পথ ছাড়ার বিনিময়ে তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন।




