স্কুল ফিডিংয়ের খাবার আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষিকাকে কৈফিয়ত তলব

স্কুল ফিডিংয়ের ডিম ও বিস্কুট আত্মসাতের অভিযোগে শোকজ। ছবি: আগামীর সময়।
সাম্প্রতিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া যায় বরিশালে। এঘটনায় জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার রানীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তারকে করা হয়েছে জরুরি কৈফিয়ত তলব।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, বরিশাল এক অফিস আদেশে তাকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানায়, গত ২৫ জুন বিদ্যালয় ছুটির পর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ ২৪টি ডিম ও ২২ প্যাকেট বিস্কুট নিজের বাসায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নজরে আসে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পুষ্টির জন্য বরাদ্দ খাদ্যসামগ্রী আত্মসাৎ বা এ ধরনের যেকোনো অনিয়ম কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অভিযোগ প্রকাশের পরপরই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত নোটিশে অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে 'সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮' অনুযায়ী তিন কার্যদিবসের মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে আইনী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শিশুদের অধিকার এবং সরকারি সম্পদের সুরক্ষায় তারা সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে গণমাধ্যমের গঠনমূলক ভূমিকা এবং জনগণের সচেতনতাকেও মন্ত্রণালয় স্বাগত জানিয়েছে।




