সংবাদ প্রকাশের পর
আংশিক ভেঙে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ঝুলে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ

ছবি: আগামীর সময়
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ঝুলে থাকা পল্লী বিদ্যুতের একটি খুঁটি অবশেষে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। সোমবার দুপুরের মধ্যে উপজেলার তুমলিয়া মিশন সড়ক থেকে ভাঙা কংক্রিটের খুঁটিটি অপসারণ করে সেখানে নতুন খুঁটি স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে পাশের একটি পুরোনো কাঠের খুঁটিও বদলে ফেলা হয়েছে।
এর আগে খুঁটিটি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে রবিবার একটি দৈনিক আগামীর সময় অনলাইনে ‘মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বিদ্যুতের খুঁটি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর দ্রুত ব্যবস্থা নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কালীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন, বিষয়টি জানার পরই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সোমবার সকাল থেকে কাজ শুরু করে দুপুরের মধ্যেই ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি অপসারণ এবং নতুন খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি পাশের কাঠের খুঁটিটিও প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে খুঁটিটি আংশিক ভেঙে বিপজ্জনক অবস্থায় ঝুলে ছিল। প্রতিদিন ওই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করায় এলাকাবাসী আতঙ্কে ছিলেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম ও ঝড়ো আবহাওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে গিয়েছিল।
তুমলিয়া এলাকার কয়েকজন সচেতন নাগরিক জানান, সম্প্রতি উপজেলার শিমুলিয়া এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে এক শিক্ষিকার মৃত্যুর ঘটনার পর তারা আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে খুঁটিটি প্রতিস্থাপন করায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
সংবাদ প্রকাশের পর এত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উল্লেখ্য, গত ৫ মে টঙ্গী-কালীগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের শিমুলিয়া রেলগেট সংলগ্ন পিপুলিয়া এলাকায় ১৭টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। এর মধ্যে একটি খুঁটি চলন্ত অটোরিকশার ওপর পড়ে শারমিন ফেরদৌস নামে এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হন।




