লাকসামের উত্তরদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জরাজীর্ণ ভবন, ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার উত্তরদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি ভবন জরাজীর্ণ। ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে, দেয়াল ও পিলারে দেখা দিয়েছে ফাটল। এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তিনটি কক্ষে চলছে পাঠদান। এর সঙ্গে রয়েছে পানীয়জলের সংকট। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিয়েও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আরেকটি পরিত্যক্ত ভবন। সীমানাপ্রাচীরের ঘাটতি ও পাশের খালের কারণে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির এসব
সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটির কয়েকটি পিলারে ফাটল ধরেছে। ছাদের পলেস্তারা উঠে গেছে, কোথাও কোথাও খসে পড়ছে। জানালাও ভাঙা। এই ভবনের তিনটি কক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন শিক্ষকরা।
বিদ্যালয়ের পাশেই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি পুরনো ভবন পড়ে আছে পরিত্যক্ত অবস্থায়। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদাউস ইশা বলেছে, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের একটি ভবন ও পাশের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভবনটি খুব ঝুঁকিপূর্ণ।’
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উজ্জ্বলা রানী সাহা ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. বদিউল আলম জানালেন, সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা ও কৃষি কার্যালয়কে জানানো হয়েছে।
লাকসাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন মজুমদার জানালেন, জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানার আশ্বাস, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



