ফেব্রুয়ারিতে ‘শ্রেষ্ঠ ওসি’, চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রত্যাহার জুলাইয়ে

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান
গত ফেব্রুয়ারিতে পেয়েছিলেন সিলেট জেলার ‘শ্রেষ্ঠ ওসির’ খেতাব। আর জুলাইয়ে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগে হলেন প্রত্যাহার। তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান। গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেকের সই করা আদেশে তাকে প্রত্যাহার করে সংযুক্ত করা হয়েছে পুলিশ লাইনসে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শফিকুলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ছাড়াও আছে চোরাকারবারি ও অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ। অর্থের বিনিময়ে অবৈধভাবে পাথর পরিবহনে সহায়তা করতেন তিনি- এমন অভিযোগও মিলেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ‘ওসির লাইন’ নাম দিয়ে শাহ আরেফিন টিলা এলাকা থেকে মাঝে মাঝে ট্রাক্টরে পাথর নেওয়া হয় ভোলাগঞ্জে। এই কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রভাবশালী ব্যক্তিরা থানার ওসিকে ‘ম্যানেজ’ করে এই লাইন পরিচালনা করেন। সবশেষ গত ১৭ মার্চ রাত ৩টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত চলে ‘ওসির লাইন’। এছাড়া প্রতি ট্রলি থেকে ২০০ টাকা চাঁদা নেওয়ারও অভিযোগ উঠে ওসি শফিকুলের বিরুদ্ধে। তখন অস্বীকার করে তিনি বলেছিলেন, ‘পুলিশ কোনো টাকা নেয় না এবং তার নামে কোনো লাইন পরিচালিত হয় না। অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
তবে সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বালু ও পাথর সিন্ডিকেটের কাছ থেকে পুলিশের নামে চাঁদা আদায়ের কিছু ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। নতুন করে আলোচনায় আসে এসব অভিযোগ।
পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, শফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগেই তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শফিকুল ইসলাম খানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।





