এবার আড়াইহাজারে পুলিশের ওপর হামলা, সরঞ্জাম ছিনতাই

পুলিশের ওপর হামলার পর আটক দুই নারী। ছবি: আগামীর সময়
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পর এবার আড়াইহাজারে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। সন্দেহভাজন মাদক কারবারিকে আটক করতে যাওয়ায় এই হামলা- জানালেন থানার পুলিশ সদস্যরা। তাদের ওয়াকিটকি ও মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকাল ৫টার দিকে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আড়াইহাজার থানার ওসি মো. সবজেল হোসেন নিশ্চিত করেছেন তথ্যগুলো।
তিনি ও ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা জানালেন, আড়াইহাজার থানা এএসআই মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল যাচ্ছিল বালিয়াপাড়া বাজার এলাকায়। সেখানে গতিবিধি দেখে সন্দেহ হওয়ায় দুই ব্যক্তিকে আটকানোর চেষ্টা চলে।
এ সময় এলাকার মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আমির হোসেন ওরফে সামা, সাহাদত এবং তাদের অনুসারীরা পুলিশের ওপর হামলা করেন। তাদের মধ্যে হয় ধস্তাধস্তি। পুলিশের একটি ওয়াকিটকি, কয়েকটি মোবাইল ফোন, একটি ব্যাগ ও একটি ভেস্ট ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
একপর্যায়ে পাশের খেলার মাঠে গিয়ে আশ্রয় নেন পুলিশ সদস্যরা। সেখানে খেলতে থাকা যুবকরা তাদের ঘিরে রাখলে হামলাকারীরা পিছু হটে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে চালায় অভিযান। উদ্ধার করা হয় বেশিরভাগ সরঞ্জাম। হামলাকারীদের সহযোগী সন্দেহ আটক করা হয় দুই নারীকে।
আড়াইহাজার থানার ওসি সবজেল জানান, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। চলছে আইনিব্যবস্থার প্রস্তুতি।
এর আগে গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় ফতুল্লার মাসদাইর পতেঙ্গার মোড়ে হামলার শিকার হয় পুলিশ। পাঁচ সদস্যসহ আহত হন আটজন।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব আলম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাসদাইর পতেঙ্গার মোড়ে মাদকের স্পটে অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় বিপুল মাদকসহ কারবারি ফাইটার মনির, তার সহযোগী নাইম ও মাসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের ছিনিয়ে নিতে সহযোগীরা প্রথমে পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ছোড়ে।
পরে পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রায় পাঁচ-ছয় রাউন্ড গুলি করে হামলাকারীরা। পুলিশও পাল্টা দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। কেউ গুলিবিদ্ধ না হলেও ইটের আঘাতে আহত হন পুলিশ ও পথচারীরা।






