জীবননগরে ৭২৩ বস্তা অবৈধ সার জব্দ, ২ মামলা

ছবি: আগামীর সময়
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পৃথক অভিযান চালিয়ে উচ্চমূল্যে বিক্রির জন্য অবৈধভাবে মজুদ রাখা ৭২৩ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জীবননগর শহরের শান্তনা এন্টারপ্রাইজ এবং আজ শনিবার সকালে হাসাদাহ বাজারের তৌফিক এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালিয়ে সার জব্দ করা হয়।
জব্দ করা সারের মধ্যে রয়েছে ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি। লাইসেন্স ছাড়াই সরকারি সার মজুদ করে বিক্রির অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে জীবননগর থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জীবননগর শহরের দত্তনগর সড়কে অবস্থিত শান্তনা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদ লাইসেন্স ছাড়াই উচ্চমূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে সরকারি ডিএপি সার মজুদ করেছিলেন। খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি, জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ ও কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোকান থেকে ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়। তবে অভিযানের সময় দোকানের মালিক আবুল কালাম আজাদ পালিয়ে যান।
অন্যদিকে, শনিবার সকালে খবর পেয়ে জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাসাদাহ বাজারের তৌফিক এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালায়। এ সময় দোকান থেকে ৩২০ বস্তা ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় দোকানের মালিক আব্দুল খালেক উপস্থিত ছিলেন। পরে তার তিনটি দোকান সিলগালা করা হয়।
জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ জানিয়েছেন, সার ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ ও আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।




