চরাঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল হলে বদলে যাবে আর্থসামাজিক চিত্র: বিডা চেয়ারম্যান

চাঁদপুরের হাইমচরের দুর্গম ঈশানবালা চর পরিদর্শনকালে কথা বলছেন বিডা চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন
চরাঞ্চলে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলে নতুন বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত চরাঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থারও ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
আজ শনিবার দুপুরে চাঁদপুরের হাইমচরের দুর্গম ঈশানবালা চর পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি চরাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ, যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে বিডা চেয়ারম্যান ঈশানবালা চরের ভৌগোলিক অবস্থান, জমির প্রাপ্যতা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিল্পকারখানা স্থাপনের উপযোগিতা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন।
তিনি বলেছেন, ঈশানবালা চরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলে এ অঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। গড়ে উঠবে বিভিন্ন শিল্পকারখানা, সৃষ্টি হবে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ। এতে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও গতি আসবে।
তিনি আরও বলেছেন, ‘চরাঞ্চলের অন্যতম বড় সমস্যা বিদ্যুৎ সরবরাহ। এ সমস্যা সমাধানে কৃষিজমির সর্বোত্তম ব্যবহারের পাশাপাশি এগ্রোভোল্টাইক সোলার ব্যবস্থা স্থাপনের প্রস্তাবনা বিবেচনা করা যেতে পারে। এ ব্যবস্থায় একই জমিতে কৃষিকাজ পরিচালনার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। ফলে কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখার পাশাপাশি বিদ্যুতের চাহিদা পূরণেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।’
ঈশানবালা চরকে ঘিরে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা যাচাইয়ের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চরাঞ্চলের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।



