ইজিবাইকচালক হত্যা মামলার আসামির বাড়িতে আগুন

ছবি: আগামীর সময়
বরিশাল নগরীতে ইজিবাইকচালক নাজমুল মোল্লা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে আরও তিনজনকে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ কিছু মানুষ মিরাজ হোসেনের বসতঘরে আগুন দেয়। এতে ঘরটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়।
আজ বুধবার সকালে নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণাফুলিয়া এলাকা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করে পুলিশ। তারা হলেন— হরিণাফুলিয়া এলাকার মিরাজ হোসেন, তার স্ত্রী কামরুন নাহার এবং মা ফরিদা বেগম।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সাইফুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৮। সাইফুল নগরীর চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দা।
আগামীর সময়কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন-উল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘরটি পুড়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, গত ১৩ জুন নিখোঁজ হন ইজিবাইকচালক নাজমুল মোল্লা (২২)। পরদিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার পরিবারের সদস্যরা। পরে ১৫ জুন সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নাজমুল মোল্লা নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। এ ঘটনায় তার বাবা এয়ারপোর্ট থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
র্যাব-৮ মামলাটির ছায়া তদন্ত করে মঙ্গলবার রাতে সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও তিনজনকে আটক করে। মামলার আরেক সন্দেহভাজন ইমরান এখনো পলাতক রয়েছেন।
নিহতের বাবা আব্দুর রশিদ মোল্লা অভিযোগ করেছেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা তার ছেলের হত্যাকাণ্ডে জড়িত। ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন তিনি।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, আটক ও গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




