Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ধন্যবাদ

৬০ বছর ধরে কবর খুঁড়ছেন হাকিম আলী

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:০৭
৬০ বছর ধরে কবর খুঁড়ছেন হাকিম আলী

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামের হাকিম আলী। ছবি: আগামীর সময়

কারও মৃত্যুর সংবাদ শুনলেই তিনি ছুটে যান কবরস্থানে। দিন কিংবা গভীর রাত— সময় তার কাছে কোনো বাধা নয়। হাতে তুলে নেন কোদাল, শুরু করেন কবর খোঁড়ার কাজ।

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের নয়াকান্দি গ্রামের হাকিম আলী প্রধান (৭২) প্রায় ৬০ বছর ধরে বিনা পারিশ্রমিকে কবর খুঁড়ছেন। এ পর্যন্ত তিন শতাধিক মানুষের কবর খুঁড়েছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে হাকিম আলীর সংসার চলে কৃষিকাজ করে। স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার পরিবার।

হাকিম আলী প্রধান জানিয়েছেন, মাত্র ১২ বছর বয়সে প্রথম কবর খোঁড়ার কাজে যুক্ত হন তিনি। ছোটবেলায় এলাকার প্রবীণদের সঙ্গে কবরস্থানে যেতেন, কখনো কবর খোঁড়া দেখতেন, কখনো সাহায্য করতেন। সেই শুরু, এরপর ধীরে ধীরে এ কাজকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছেন।

‘বয়স হয়েছে, কিন্তু আল্লাহ এখনো শরীর ভালো রেখেছেন। যত দিন পারি, এ কাজ করে যেতে চাই। কবর খোঁড়ার জন্য কারও কাছ থেকে টাকা নিই না। কেউ কখনো খুশি হয়ে কিছু দিতে চাইলে তাও গ্রহণ করি না’— বললেন হাকিম আলী প্রধান।

হাকিম আলী প্রধানের সঙ্গে মাঝেমধ্যে মরদেহ গোসল করানোর কাজে অংশ নেন জাকারিয়া দেওয়ান। তার কথা, ‘আমরা আল্লাহকে খুশি করার জন্য এই কাজ করি। হাকিম আলী প্রধানের মতো মানুষ আমাদের জন্য গর্বের।’

স্থানীয় বাসিন্দা আকবর হোসেন জানালেন, ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছেন হাকিম আলী প্রধানকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে। এলাকায় কেউ মারা গেলে, মসজিদে ঘোষণা হলেই তিনি নিজ উদ্যোগে চলে যান কবরস্থানে। শুধু কবর খোঁড়াই নয়, মৃত ব্যক্তির কাফনের কাপড়, কবরের জন্য বাঁশসহ প্রয়োজনীয় অনেক কিছু নিজেই বাজার থেকে এনে দেন। মৃত ব্যক্তির পরিবার দরিদ্র হলে নিজের টাকায়ও এসব কিনে দেন।

‘হাকিম আলী একজন সাধারণ কৃষক হয়েও অসাধারণ মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ কাজের জন্য তাকে শ্রদ্ধা করি আমরা’— বললেন ভবেরচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইলিয়াস প্রধান।

হাকিম আলীকবরস্থানমুন্সীগঞ্জ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise