বান্দরবানে টানা বৃষ্টিতে ভূমিধস ও জলাবদ্ধতার শঙ্কা

পাহাড় ধসে সড়কে যান চলাচল ব্যহত
গত দুই দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায়। টানা অতিভারী বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে বাড়ছে কয়েকটি নদীর পানিও।
বান্দরবান মৃত্তিকা সংরক্ষণ ও পানি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, জেলায় বছরের প্রথম ছয় মাসে সাধারণত ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। তবে চলতি বছরের ৬ জুলাই পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে মাত্র ৪৯৭ মিলিমিটার। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড করা হয়েছে ১০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত।
কেন্দ্রটির ইনচার্জ মো. মাহবুবুল ইসলাম জানিয়েছেন, টানা অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে ২০২৩ সালের মতো আবারও এ অঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জেলার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাঙ্গু নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ দুপুর ১২টায় আলীকদম ও লামা উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীর পানির উচ্চতা ছিল ১১ দশমিক ০৩ মিটার। নদীটির বিপৎসীমা ১১ দশমিক ৮০ মিটার।
অন্যদিকে, গতকাল রবিবার থেকে জেলা সদরে ভারী বৃষ্টিপাত হলেও সাঙ্গু নদীর পানির উচ্চতা ছিল ৭ দশমিক ৬৭ মিটার, যা নদীটির ১৪ দশমিক ৮০ মিটার বিপৎসীমার অনেক নিচে।
এ ছাড়া নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার পাশ দিয়ে প্রবাহিত বাকখালী নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে ৫ দশমিক ৪০ মিটারে পৌঁছেছে। নদীটির বিপৎসীমা ৫ দশমিক ৭৯ মিটার হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।




