Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর ধরে বর্জ্যমুক্ত রাখছেন রাস্তা-বাজার
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নজর কাড়ছে বিরল ফলসাগাছ

রংপুর অফিস
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১৫:০৪
রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নজর কাড়ছে বিরল ফলসাগাছ

আগেকার দিনে রাস্তার ধারে ও বন-বাদাড়ে সহজেই ফলসা গাছের দেখা মিলত। এখন গাছটি ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে। যদিও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি গাছ এখনও চোখে পড়ে। রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে পশ্চিম দিকে এগোলে দেখা মেলে কেন্দ্রীয় মসজিদের। সেখান থেকে আরও কিছুদূর গিয়ে পরিবহন পুলের উত্তর পাশের দেয়ালঘেঁষা স্থানে দেখা যায় একটি বিলুপ্তপ্রায় ফলসাগাছ। ফুল ও ফলে ভরা গাছটি সেখানে সৃষ্টি করেছে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ।

সহজে দেখা মেলে না বলেই ফলসাগাছে ফুল-ফল ধরার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিদিন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসা নানা বয়সী মানুষ সেখানে ভিড় করছেন। এছাড়া রংপুরে সাংবাদিক স্বপন চৌধুরীর রোপণ করা একটি গাছেও এবার ফলসার ফুল ও ফল ধরেছে, যা আগন্তুকদের দৃষ্টি কাড়ছে।

পথের ধারে কিংবা পতিত জমিতে আপনাআপনিই জন্মে ফলসা। বীজ ছড়িয়ে দেওয়ার কাজটি মূলত পাখিরাই করে। শহরে এই গাছ খুঁজে পাওয়া এখন অনেকটাই সৌভাগ্যের বিষয়। ফলটি শিশুদের পাশাপাশি পাখিদেরও আকৃষ্ট করে। বিশেষ করে কাকের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। ফলসা পাকার মৌসুমে সারাদিনই তাদের বিচরণ দেখা যায়। ধারণা করা হয়, আরও অনেক প্রাণী এই ফল খেয়ে বেঁচে থাকে।

বড় বড় পাতার এই গাছ ডালপালা ছড়িয়ে ছাতার মতো দাঁড়িয়ে থাকে। তামাটে রঙের নতুন পাতা এ গাছের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ফলসা মাঝারি আকারের পাতাঝরা গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এটি ছয় থেকে সাত মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। এর পাতা কাকডুমুরের পাতার মতো খসখসে ও ডিম্বাকৃতি। পাতাগুলো বিপরীতভাবে বিন্যস্ত থাকে এবং কিনারা সামান্য দাঁতযুক্ত। একটি পাতা সাধারণত ১০ থেকে ১২ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ৮ থেকে ১০ সেন্টিমিটার চওড়া হয়।

ফলসার ফুল ছোট, হলদে ও অল্প লোমযুক্ত। ফল মটরদানার মতো গোলাকার এবং প্রথমে ধূসর বর্ণের থাকে। পাকলে তা বেগুনি কিংবা নীলাভ-কালো রং ধারণ করে। গাছের বাকল লম্বা, আঁশযুক্ত ও ধূসর রঙের।

ফলসা তাজা ফল হিসেবে খাওয়া হয়। পাকা ফল দিয়ে শরবত, জুস ও বিভিন্ন কোমল পানীয় তৈরি করা যায়। এর রস থেকে সিরাপও তৈরি হয়। স্বাদে টক-মিষ্টি এই ফলে রয়েছে ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি। এছাড়া এতে প্রোটিন, শর্করা, খনিজ পদার্থ, চর্বি, ক্যালসিয়াম ও আয়রনও পাওয়া যায়। ফলসার বাকলের রস জ্বর ও আমাশয় নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। গাছের কাঁচা পাতা গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

টক-মিষ্টি স্বাদের ফলসা আমাদের দেশে স্বল্পপরিচিত একটি ফল। ‘ফলসা’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে। বাংলায় এর নাম ‘ধামানি’। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হয়। এর আদি নিবাস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। হিমালয়ের পাদদেশে এ গাছ ভালো জন্মে। ফলসা মূলত বুনো ফল হিসেবেই পরিচিত। গ্রামবাংলায় একসময় প্রচুর দেখা গেলেও এখন তা ক্রমেই দুর্লভ হয়ে উঠছে।

বাংলা একাডেমির সহপরিচালক এবং বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না জানান, ফলসাগাছ খুব বেশি বড় হয় না। এটি খাটো আকৃতির, পাতাঝরা স্বভাবের ঝোপালো বৃক্ষ। প্রধান কাণ্ড থেকে ডালপালা নিচের দিকে ঝুলে পড়ে। মার্চ-এপ্রিল মাসে ক্ষুদ্র হালকা হলুদ রঙের ফুল ফোটে এবং এক মাসের মধ্যেই ফল পাকে। কখনও কখনও জুন-জুলাই মাসেও ফুল দেখা যায়। কাঁচা ফল সবুজ ও টক স্বাদের হলেও পাকলে লাল এবং পরে কালচে-বাদামি হয়ে যায়। পাকা ফলের স্বাদ টক-মিষ্টি ও সুস্বাদু। ওষুধি গাছ হিসেবেও ফলসার গুরুত্ব অনেক।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও সৌখিন আলোকচিত্রী ড. তুহিন ওয়াদুদ জানান, ‘তৃতীয়বারের মতো এই ফলসা গাছে ফল এসেছে। ক্যাম্পাসের মিডিয়া চত্বরে আরও একটি গাছ আছে। তবে সেটিতে এখনও ফুলের দেখা মেলেনি।’

বুনোফলফলসাবেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ফলসা গাছ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬  কর্মকর্তার

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬ কর্মকর্তার

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

    ৩৮ দিনের সাইকেল যাত্রায় এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার তঞ্চঙ্গ্যা