মোবাইল ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত ভুক্তভোগীরা, পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা

ছবি: আগামীর সময়
গত সেপ্টেম্বর মাসে আমার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যায়। এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছিল। পুলিশের ওপর আস্থা রেখেই একটি জিডি করি। দেরিতে হলেও আজ ফোনটি ফিরে পেয়েছি। অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সবকিছু ঠিকঠাক পেয়েছি। কল্পনাও করিনি ফোনটি ফিরে পাবো—কথাগুলো বলছিলেন বালিয়াকান্দির মেহেদী হাসান।
মঙ্গলবার রাজবাড়ী জেলা পুলিশ সুপারের কনফারেন্স কক্ষে এমনই আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। একে একে মালিকদের নাম ডাকা হলে কারও মুখে বিস্ময়, কারও কণ্ঠে কৃতজ্ঞতা—পুরো পরিবেশ যেন মানবিক অনুভূতির মেলবন্ধনে পরিণত হয়। অনেকেই বললেন, মোবাইল হারিয়ে তারা আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন; কোনোদিন ফিরে পাবেন, তা ভাবেননি।
পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও অভিযোগের ভিত্তিতে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় এসব মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ৪৭টি মোবাইল ফোনের মধ্যে রাজবাড়ী সদর থানার ২১টি, গোয়ালন্দ ঘাট থানার ৭টি, পাংশা মডেল থানার ৭টি, কালুখালী থানার ৮টি এবং বালিয়াকান্দি থানার ৪টি রয়েছে।
এ সময় জিডির ভিত্তিতে উদ্ধার হওয়া নগদ ১০ হাজার টাকাও প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, বিপিএম (সেবা) জানান, হারানো মোবাইল উদ্ধারসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধ দমনে পুলিশের একটি বিশেষ টিম নিয়মিত কাজ করছে। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে মানুষের হারানো সম্পদ উদ্ধার এবং জনআস্থা ফিরিয়ে আনা তাদের প্রধান লক্ষ্য।
মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।




