রংপুরে চার খুনের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি পলাশ কান্তি নাগ। ছবি: আগামীর সময়
রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি।
আজ শনিবার দুপুরে রংপুরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানানো হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ।
সংবাদ সম্মেলনে পলাশ কান্তি নাগ জানান, গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের সদস্যদের নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা রংপুরসহ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নাজুক চিত্র তুলে ধরেছে। এ ঘটনায় দুই কিশোরকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ গণমাধ্যমে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছে, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন, সংশয় ও আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের বক্তব্য, নিহতদের স্বজনদের জবানবন্দি, ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা এবং পুলিশ ও ফরেনসিক কর্মকর্তাদের বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। তাই এ হত্যাকাণ্ডসহ দেশে সংঘটিত প্রতিটি হত্যার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও নির্ভুল তদন্ত প্রয়োজন।
তিনি জানান, বিচারহীনতার সংস্কৃতি অপরাধীদের বেপরোয়া করে তুলছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। মানুষ স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা চায়। শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চারজনের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, বিজয় প্রসাদ তপু, বীথি দাস নন্দিনী, মাহফুজ হোসেন, মসিউর রহমান, সবুজ রায় ও মেহেদী হাসান তরুণসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
গত শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাসা থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।








