তিন জেলায় বজ্রপাতে নিহত ৫

গাংনী, মুন্সীগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে মৃত্যু
দেশের মেহেরপুর, মুন্সীগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় নিহত হয়েছে পাঁচজন। এ ঘটনা ঘটে আজ বৃহস্পতিবার।
মেহেরপুর (গাংনী)
মেহেরপুরের গাংনীতে বজ্রপাতে জারজিত হোসেন (৫০) নামে মৃত্যু হয়েছে এক কৃষকের। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভাটপাড়া-কসবা গ্রামের জোলের মাঠ এলাকায় ঘটে এ ঘটনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জারজিত হোসেনসহ আরও দুই কৃষক কলাক্ষেতে কাজ শেষে ফিরছিলেন বাড়ি। এ সময় হঠাৎ শুরু হয় বজ্রসহ বৃষ্টি। একপর্যায়ে বজ্রপাতে আহত হোন জারজিত হোসেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে স্বজনদের কাছে।
মুন্সীগঞ্জ (টংগিবাড়ী)
মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ীতে পৃথক দুটি স্থানে বজ্রপাতে এক কিশোরসহ নিহত হয়েছে দুইজন। দুপুরে আড়িয়াল ও দিঘীরপাড় ইউনিয়নে ঘটে এসব ঘটনা।
আড়িয়াল ইউনিয়নের ফজুশাহ শোলাকান্দা বিলের ফুটবল মাঠে খেলছিলেন মো. রিজান ঢালী (১৮)। এ সময় বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে টংগিবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। তিনি উপজেলার বসাউল্লাহ এলাকার মনির ঢালীর ছেলে।
অন্যদিকে, দিঘীরপাড় ইউনিয়নের হাইয়ারপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে নিহত হন মো. আরাফাত খাঁ (২২)। তিনি স্থানীয় জসিম খাঁর ছেলে।
টংগিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল হক ডাবলু জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে স্বজনদের কাছে।
চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও দর্শনা এলাকায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় স্কুলছাত্রসহ নিহত হয়েছেন দুইজন।
জীবননগরের বাঁকা ইউনিয়নে মাঠে কাজ করছিলেন কৃষক রাসেল। এ সময় বজ্রপাতে গুরতর আহত হোন তিনি। তার বাড়ি ঘোষনগর গ্রামে।
আহত রাসেলকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
অন্যদিকে, দর্শনায় নবম শ্রেণির ছাত্র আজিমুদ্দিন বাবার জন্য খাবার নিয়ে যাচ্ছিলেন মাঠে। তখন বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি । তার বাড়ি পারকৃষ্ণপুর গ্রামে।
ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ ও দর্শনা থানার ওসি।

