জাতির কল্যাণে বিপথগামী যুবকদের ফিরিয়ে আনতে হবে আলোর পথে : ড. খন্দকার মারুফ

সংগৃহীত ছবি
মাদকাসক্ত যুব সমাজ কখনো দেশ ও জাতির কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘মাদকাসক্ত এবং মাদক কারবারিদের সামাজিকভাবে বর্জন করতে হবে। দেশ ও জাতির উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির জন্য আমাদের বিপথগামী নেশাগ্রস্ত যুবসমাজকে ইসলামের পথে, আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে হবে, তাহলেই জাতি দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।’
আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) কুমিল্লার দাউদকান্দির বারাগাঁও গ্রামে হজরত সারা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. মারুফ বলেন, ‘আমরা নবী মুহাম্মদ (স.) এর উম্মত হয়ে অত্যন্ত গর্বিত। ইসলাম মাদক তথা নেশাদ্রব্যকে হারাম করেছেন। যে কোনো মাদক সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ৯১ ভাগ মুসলমানের দেশে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের যে আশঙ্কাজনক বিস্তার ঘটেছে, তা খুবই উদ্বেগজনক। মুসলিম ও তিরমিজি শরিফে বর্ণিত বিভিন্ন হাদিসের উদ্ধৃতি তুলে ধরে খন্দকার মারুফ বলেন, নেশা সৃষ্টিকারী বস্তু সম্পর্কে নবী মুহাম্মদ (স) বলেছেন, নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি বস্তু হারাম। নবিজি আরও বলেছেন, যে বস্তু বেশি নেশা সৃষ্টি করে, তা পরিমাণে কম হলেও হারাম।’
ড. মারুফ বলেন, দেশে ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশাদ্রব্য বৈধ পণ্যের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। যা খুবই উদ্বেগ উৎকণ্ঠার বিষয়। এই মাদক আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এ থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে সব শ্রেণির মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভূমিকা রাখতে হবে। আসুন, আমরা মাদকসেবী ও মাদক কারবারিদের বর্জন করি, এবং মাদকের ব্যবহার ও কেনা-বেচা বন্ধ করে আলোকিত সমাজ গঠন করি।
কিশোর গ্যাং দমন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের এলিট শ্রেণির মানুষের এগিয়ে আসতে উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।
এ-সময় ছিলেন দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্মআহবায়ক পিটার চৌধুরী, সদস্যসচিব কাউসার আলম সরকার ও যুবদল নেতা শরীফ চৌধুরীসহ অনেকে।




