আলিম পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে ও টয়লেটে পড়ে আছে ছেঁড়া বই

হাতিয়ায় আলিম পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে ও টয়লেটে পড়ে আছে ছেঁড়া বই— আগামীর সময়
আলিম পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্র সচিবের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, পরীক্ষার হলে নকল ঠেকাতে দায়িত্ব পালনকারী কোনো হলগার্ড বাধা দিলে কেন্দ্র সচিব তাদের শাসান। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কেন্দ্র সচিব ও আজহারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুল গাফুর।
নোয়াখালীর হাতিয়া শহর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ।
জানা গেছে, চলমান ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় এ কেন্দ্রে আলিম, ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের মোট ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। নিরপেক্ষ কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও হাতিয়ার এ কেন্দ্রে সেই উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ।
কেন্দ্র-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রে বই নিয়ে এসে বাথরুমসহ বিভিন্ন স্থানে সেগুলো লুকিয়ে রাখে। প্রশ্নপত্র পাওয়ার পর তারা বাথরুমে গিয়ে বই থেকে প্রয়োজনীয় অংশ ছিঁড়ে এনে উত্তরপত্রে লিখছে। কেন্দ্রের টয়লেট এবং আশপাশে ছড়িয়ে থাকা ছেঁড়া বই ও নকলের কিছু স্থিরচিত্র স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের হাতেও এসেছে।
অভিযোগের বিষয়ে কেন্দ্র সচিব ও আজহারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুল গাফুর বলেছেন, ‘এগুলো তার শত্রুপক্ষরা রটাচ্ছেন, কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। এরপরও সামনের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখব।’
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল জানান, হল সচিবকে বিষয়টি অবহিত করা হচ্ছে এবং সামনের দিকে কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা কঠোর করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষার ১৫টি বিষয়ের মধ্যে এরই মধ্যে ১১টি বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামের ইতিহাস ও পৌরনীতিসহ বাকি চারটি বিষয়ের পরীক্ষা আগামীকাল শনিবার থেকে আগামী ১ আগস্টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।





