সরল মাদ্রাসাছাত্ররা, ৩ ঘণ্টা পর সচল ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক

গাজীপুুরে সড়কে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর জেরে করা অবরোধ তুলে নিয়েছে তামীরুল মিল্লাতের শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনের আশ্বাসে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর সরে গেছে তারা। সচল হয়েছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। দীর্ঘ সময় রাস্তাটি বন্ধ থাকায় টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট।
আজ রবিবার বেলা ১১টার দিকে টঙ্গীর গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড ও এশিয়া পাম্প এলাকায় রাস্তায় অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা।এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের দুপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
কয়েকশ শিক্ষার্থী রাস্তায় নেমে ওই দুর্ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে। চার দফা দাবিও জানায় তারা। এর মধ্যে আছে— এশিয়া পাম্প ও গাজীপুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দ্রুত ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ, পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করা, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিমুক্ত করা এবং আশ্বাসের পরিবর্তে কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা।
দুপুরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার, জেলা প্রশাসক নুরুল কবির ভূঁইয়া এবং মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে যান। আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তারা। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে মহাসড়ক ছেড়ে দেয় মাদ্রাসাছাত্ররা।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের আশ্বাসে এবং জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক করে সংকট সমাধানের শর্তে আন্দোলনকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন।’
গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে টঙ্গীর গাজীপুরা এলাকায় ঘটে দুর্ঘটনাটি। নিহত ইয়াসিন আলী পাবনার সুজানগর থানার নোয়াপাড়া গ্রামের রিপন মিয়ার ছেলে। সে ভাড়া থাকত টঙ্গীর গাজীপুরা কাজীপাড়া এলাকায়। তামীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির মানবিক বিভাগে পড়ত সে।
টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মেহেদী হাসান জানিয়েছিলেন, শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন ইয়াসিন আলী। এ সময় দ্রুতগতির কাভার্ডভ্যান তাকে ধাক্কা দেয়। পুলিশ গিয়ে তাকে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।




