দিনাজপুর
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশের পরও বঞ্চিত ১১৪ প্রার্থী

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও নিয়োগপত্র পাননি দিনাজপুরের ১১৪ জন প্রার্থী। নিয়োগপত্রে নাম না আসায় হতাশায় ভুগছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
আজ রবিবার বাদ পড়া শিক্ষার্থীরা বেলা ১১টার পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জড়ো হন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে দিনাজপুর জেলায় ৪৮১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। নিয়ম অনুযায়ী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের নির্দেশনা মেনে ১৫ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেন তারা।
তবে গত ২৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হলে দেখা যায়, ৪৮১ জনের মধ্যে মাত্র ৩৫৮ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। কোনো আগাম বিজ্ঞপ্তি বা কারণ দর্শানো ছাড়াই বাকি ১১৪ জন প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়।
উপজেলা অনুযায়ী বাদ পড়েছেন- কাহারোলে ৯, খানসামায় ১৩, ঘোড়াঘাটে ১৭, চিরিরবন্দরে ১০, সদরে ২, নবাবগঞ্জে ৮, পার্বতীপুরে ২, ফুলবাড়ীতে ৯, বিরলে ১৮, বোচাগঞ্জে ১১, হাকিমপুরে ৩, বিরামপুরে ২ ও বীরগঞ্জে ১৯ জন।
বাদ পড়া একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, শেষ পর্যায়ে এসে বাদ পড়ার কারণে আমরা চরম হতাশার মধ্যে আছি। সরকারের কাছে অনুরোধ তারা যেন আমাদের বিষয়টি আমলে নিয়ে নিয়োগের সুযোগ দেন।
দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুজ্জামান জানান, ‘আমরা এ বিষয়ে কিছুই অবগত নই। নিয়োগ পরীক্ষার প্রক্রিয়াতেও আমাদের ডাকা হয় না। কী কারণে প্রার্থীরা বাদ পড়েছেন, তা শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। এ বিষয়ে আমাদের কিছু করার বা বলার নেই।’




