আগামীর সময়ে সংবাদ
মোহনগঞ্জে ফসল রক্ষা বাঁধের লুট হওয়া ব্লক ফেরত

ফেরত দেওয়া ব্লক
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে চিয়াডুবী ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধ থেকে লুট হওয়া ১ হাজার ৫৭৮টি ব্লক ফেরত দিয়েছে লোকজন। ব্লক লুট হওয়ার অভিযোগ ২ হাজার ৬৪৪টি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাঁধের নির্ধারিত স্থানে ব্লকগুলো রেখে দেওয়া হয়েছে। লুটকারীরাই নির্ধারিত স্থানে ব্লক বসিয়ে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট ‘মোহনগঞ্জে রাতের আঁধারে ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধের ব্লক লুট’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে আগামীর সময় অনলাইন।
এরপরই ব্লকগুলো আগের জায়গায় ফেরত আসতে শুরু করে। তবে কারা ব্লক নিয়ে গিয়েছিল এবং বর্তমানে কারা সেগুলো ফেরত দিচ্ছেন তা জানা যায়নি। সে বিষয়ে প্রশাসন বা পাউবোর পক্ষ থেকে এখনো কারও নাম প্রকাশ করা হয়নি।
পাউবো জানিয়েছে, মোহনগঞ্জের গাগলাজুর ইউনিয়নের চিয়াডুবী ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধের ২৫০ মিটার অংশের ব্লক লুটের অভিযোগ ওঠে। ব্লক লুট শুরু হয় গত ১৮ আগস্ট রাত থেকে। পরদিন স্থানীয় লোকজন বিষয়টি পাউবো ও উপজেলা প্রশাসনকে জানান।
এরপর ২৩ আগস্ট পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেন মোহনগঞ্জ থানায় ব্লক লুটের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
পাউবো নেত্রকোনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬৪৪টি ব্লক নিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছি। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭৮টি ব্লক ফেরত দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পাউবোর পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়েছে।’
তিনি জানান, লুট করা ব্লক কিছু গোয়ালঘরে, কিছু মাচার নিচে এবং কিছু হাওরে নামার সিঁড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। কেউ কেউ আবার বাড়ির পাশে হাওরের ঢেউ থেকে রক্ষার জন্য ব্লক রেখেছিলেন। এসব ব্লক পর্যায়ক্রমে ফেরত আনা হচ্ছে।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আগামীর সময়কে বললেন, ‘বেশির ভাগ ব্লক দিয়ে দিয়েছে। ২২০০ থেকে ২৩০০ ব্লক নিয়েছিল। তার মধ্যে ১৬০০ থেকে ১৭০০ ব্লক ফেরত দিয়েছে। বানিহাড়ি পুরো গ্রামের মানুষই ব্লকগুলো নিয়েছিল। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্যবস্থা নেবে। এটি তো পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা। থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রেক্ষিতে আমরা এগুলো বের করেছি।’






