সেতুমন্ত্রী
পলাতক আসামিদের দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হওয়া উচিত

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
পলাতক ও ওয়ান্টেড আসামিদের দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিচার আইনের মাধ্যমেই হচ্ছে।
আজ রবিবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় ইছামতি নদীর ওপর নির্মিতব্য কুন্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, যারা পালিয়ে গেছেন, যারা পলাতক বা ওয়ান্টেড আসামি, তাদের দেশে ফিরে আসা উচিত। আইনও সেটাই চায়। তাদের বিরুদ্ধে যেসব সাজা রয়েছে, সেসবের মুখোমুখি হতে তারা দেশে ফিরে আসুন।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী সরকারের নানা অপকর্ম, দুর্নীতি, গণহত্যা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় অনেক মামলার রায় হয়েছে। কিছু মামলার বিচার এখনো চলমান। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেওয়া রায় সরকার ও বিচার বিভাগ কার্যকর করবে।
এর আগে ৬৮ কোটি ৩৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে ইছামতি নদীর ওপর নির্মিতব্য কুন্ডেরবাজার সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মন্ত্রী। মুন্সীগঞ্জ (হাতিমারা)-কুন্ডেরবাজার-শ্রীনগর (ছনবাড়ি) জেলা মহাসড়কের ষষ্ঠ কিলোমিটারে সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
সেতুটির দৈর্ঘ্য হবে ১৫১ দশমিক ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ৩০ মিটার। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত মেয়াদ ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।
সেতুটি নির্মিত হলে টঙ্গিবাড়ী, সিরাজদিখানসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনেও সুবিধা বাড়বে। এ ছাড়া রাজধানী ঢাকার সঙ্গে মুন্সীগঞ্জের সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবং সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য মমতাজ আলোসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আয়োজিত সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে যোগ দেন মন্ত্রী। এতে সভাপতিত্ব করেন টঙ্গিবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আসগর রিপন মল্লিক।



