খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় ইউপিডিএফের দুই সদস্য নিহত

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
খাগড়াছড়িতে পৃথক ঘটনায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় একজনকে আহত অবস্থায় আটক করেছে সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর দাবি, ঘটনাস্থল থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামগড়ের প্রেমতলা এলাকায় টহলরত সেনাবাহিনীর একটি দলের ওপর ইউপিডিএফের সদস্যরা গুলি চালায়। জবাবে সেনাবাহিনী পাল্টা গুলি চালালে ববিন ত্রিপুরা (৩২) নিহত হন। এ সময় আহত অবস্থায় মংসানু মারমা ওরফে জীবনকে আটক করা হয়।
রামগড় থানার ওসি মো. নাজির আলম জানিয়েছেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলমান। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে একই দিন দুপুর ১টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের মুড়োপাড়া এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে ইউপিডিএফের সদস্য সুজন চাকমা (৪৮) নিহত হন।
দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে।
রামগড়ের ঘটনার বিষয়ে ইউপিডিএফ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের কোনো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি। সংগঠনটির দাবি, ববিন ত্রিপুরা সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। বিবৃতিতে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
অন্যদিকে, দীঘিনালায় সুজন চাকমা হত্যাকাণ্ডের জন্য প্রতিপক্ষ জনসংহতি সমিতি (সন্তু লারমা)-কে দায়ী করেছে ইউপিডিএফ।




