গুম হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে সব জানতেন শেখ হাসিনা
- ভোলায় স্পিকার

সংগৃহীত ছবি
গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের আশ্বস্ত করলেও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুক্তভোগীদের অবস্থান সম্পর্কে জানতেন বলে অভিযোগ করেছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। তিনি বলেছেন, গুম হওয়া ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছিল, কীভাবে ছিল— সবই জানতেন তিনি। এরপরও সহানুভূতি দেখানোর নামে তিনি বিশ্বের সেরা অভিনেত্রীর অভিনয় করেছেন।
গতকাল শনিবার সকালে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অভিযোগ করেছেন তিনি।
স্পিকারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বহু মানুষকে হত্যা ও গুম করা হয়েছে। স্ত্রী ও মায়ের সামনে থেকে স্বামী ও সন্তানকে তুলে নিয়ে পরে হত্যা এবং মরদেহ টুকরো টুকরো করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও হত্যার শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সাক্ষ্যে এসব ঘটনা উঠে আসছে। এখনো অনেক মা-বাবা নিখোঁজ সন্তান ফিরে আসার আশায় অপেক্ষা করছেন, অথচ তাদের সন্তানদের হত্যা করা হয়েছে।
‘আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার-নিপীড়ন চালিয়েছেন। সরকারকে খুশি করা ও নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এসব করা হয়েছিল’— যোগ করলেন তিনি।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে হাফিজ উদ্দিন বললেন, গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে পিয়ন-চাপরাশি পর্যন্ত অনেকেই পালিয়ে গেছেন। প্রধান বিচারপতি ও বায়তুল মোকাররমের ইমামও পালিয়ে গেছেন।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাফর ইকবাল। আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুলসহ স্থানীয় নেতারা।



