দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

নিহত মারুফ বেপারি
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন মারুফ বেপারী নামের শরীয়তপুরের এক ব্যক্তি। সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মারুফকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে দাবি স্বজনদের। সেখানে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ব্যবসা করছিলেন তিনি।
বর্তমানে তার মরদেহ দক্ষিণ আফ্রিকার একটি হাসপাতালে রাখা। স্বজনরা দ্রুত মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে মারুফের নিহত হওয়ার খবর পায় তার স্বজনরা। এর আগে গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে কেপটাউনের বুস্টার এলাকার নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে নিহত হন মারুফ।
তার বাড়ি শরীয়তপুরের ডামুড্যার সিড্যা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম সিড্যা গ্রামে। বাবা মৃত আব্দুস সোবহান বেপারী।
মারুফের পরিচিত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ‘তিনি জুলুটেম্বা এলাকায় ব্যবসা করতেন। সেখানে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তার কাছে নিরাপত্তার নামে ৫০০ থেকে ১৫০০ র্যান্ড দাবি করতেন। সম্প্রতি অতিরিক্ত চাঁদা দাবি করা নিয়ে তাদের সঙ্গে মারুফের বাগবিতণ্ডা হয়।’ একপর্যায়ে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ওই ব্যবসায়ীরা।
তবে হত্যাকাণ্ড নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়েছে কি না তা-ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মারুফের স্বজন কামরুজ্জামান বেপারী বলেন, ‘চাঁদার জন্য বিদেশের মাটিতে আমার কাকাকে জীবন দিতে হয়েছে। ওখানকার দূতাবাস কি এগুলো দেখে না?’
তিনি বলেন, ‘সরকার কাকার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করুক।’



