খন্দকার মোশাররফ
অপরাধ দমনে সরকারের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে অপরাধ ও অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা জরুরি। অপরাধী যে দলের বা মতেরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের নীতি ‘জিরো টলারেন্স’।
আজ বুধবার কুমিল্লা-১ আসনের মেঘনা ও দাউদকান্দি উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনো ধরনের গাফিলতি বা শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সিনিয়র সদস্য বলেছেন, জনস্বার্থবিরোধী অপরাধীরা যেন আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পার না পায়, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি, কিশোর গ্যাং ও মাদকাসক্তদের শক্ত হাতে দমন করা হবে বলেও তিনি জানান।
‘বিগত সরকার গণতন্ত্র, অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে গেছে’—উল্লেখ করলেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তার ভাষ্য, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে জনগণের কল্যাণে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে।
‘মেঘনা উপজেলার দুর্গম ও অবহেলিত এলাকাগুলোতে নতুন সড়ক ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত করা হবে। এতে ওই অঞ্চলের মানুষও সমান উন্নয়ন সুবিধা পাবে’—যোগ করেন মোশাররফ হোসেন।
সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক করলেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তার মন্তব্য, জনগণের সেবক হিসেবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনো ধরনের গাফিলতি বা শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না।
মেঘনা উপজেলার ইউএনও মৌসুমী আক্তার এবং দাউদকান্দি উপজেলার ইউএনও নাছরীন আক্তার সভায় সভাপতিত্ব করেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খন্দকার মারুফ হোসেন। এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও মুক্তিযোদ্ধা নেতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।এর আগে মেঘনা উপজেলা সদরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে খন্দকার মোশাররফ হোসেন কৃষকদের মাঝে ভুট্টা মাড়াই যন্ত্র, স্প্রেয়ার, এলএলপি ও ক্যানভাস পাইপ বিতরণ করেন।







