চেতনানাশক স্প্রে করে পরিবারের সবাইকে অচেতন, নগদ টাকা-স্বর্ণালংকার লুট

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি পরিবারের সদস্যদের চেতনানাশক স্প্রে করে অচেতন করার পর নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে।
শনিবার গভীর রাতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের নেয়ামতপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আলম খানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আলম খান (৫১), তার মা আয়শা বিবি (৭৫), মাছুমা বেগম (৪৫), মো. রাসেল (৩০) ও হাফসা বেগম (২৫) অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে তিনজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও আয়শা বিবি ও মাছুমা বেগমের এখনো জ্ঞান ফেরেনি বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী আলম খান জানান, তিনি ধান কেনাবেচার ব্যবসা করেন। প্রতিদিনের মতো রাতে খাবার খেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও কারও ঘুম না ভাঙায় বাড়ির অন্য সদস্যরা ডাকাডাকি শুরু করেন এবং একপর্যায়ে দরজা ভাঙার চেষ্টা করেন। শব্দ পেয়ে তিনি জেগে উঠলেও শরীরে প্রচণ্ড দুর্বলতা অনুভব করেন।
চুল বিক্রি করে ঘরভাড়া দেওয়া রেহানার পাশে প্রতিমন্ত্রী, মিলল ঘর-খাদ্য-অর্থ সহায়তা
০৯ আগস্ট ২০২৬
আলম খান বললেন, ঘরের ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান। পরে দেখা যায়, আলমারি ভাঙা। দুর্বৃত্তরা রাতের কোনো একসময় বাড়িতে ঢুকে চেতনানাশক জাতীয় কিছু স্প্রে করে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে আলমারি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে বলে ধারণা করছেন তারা।
লুট হওয়া মালামালের মধ্যে নগদ টাকা, প্রায় চার ভরি স্বর্ণালংকার ও তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন রয়েছে। এ ঘটনায় তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানালেন তিনি।
আলম খানের ছোট ভাই বজলু খান জানান, সকালে চুরির খবর পেয়ে তারা বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। ঘরের আলমারি ভাঙা এবং বিভিন্ন জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে তাদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





