হাতছাড়া কোটি টাকার রাজস্ব

মাদারীপুরের শিবচরে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোকে কেন্দ্র করে বাড়ছে উদ্বেগ। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও স্থায়ী হাটের ইজারাদারদের অভিযোগ— নামমাত্র মূল্যে অস্থায়ী হাট ইজারা নিয়ে একটি মহল ঈদ মৌসুমে কোটি টাকার বাণিজ্য করছে। এতে সরকার যেমন বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বৈধ হাটের ইজারাদাররাও।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় পশুর হাট রয়েছে ৪৮টি। এর মধ্যে স্থায়ী ৫ আর ৪২টি অস্থায়ী হাট। একটি হাট ইজারা না হওয়ায় পরিচালিত হচ্ছে সরকারি ব্যবস্থাপনায়।
অভিযোগ রয়েছে, অস্থায়ী হাটগুলো প্রথমে কম টাকায় নেওয়া হয় ইজারা। পরে সেখানে বসানো হয় পশুর হাট। আদায় করা হয় বিপুল অর্থ। তবে সেই আয়ের বড় অংশ জমা পড়ে না সরকারি কোষাগারে। চলে যাচ্ছে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিশেষের পকেটে।
অস্থায়ী পশুর হাট বন্ধ ও স্থায়ী হাটগুলোর রাজস্ব এবং ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন ইজারাদাররা। গত ১৩ মে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন তারা।
তবে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম ইবনে মিজান জানিয়েছেন, এ বছর ইজারা দেওয়ার পর কয়েকটি অস্থায়ী হাট বসানো হয়েছে। তবে আগামী বছর থেকে যেন এ ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক থাকবে।
‘ভবিষ্যতে ইজারার শর্তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে কোথায় বসানো যাবে পশুর হাট। পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আদায় যেন ঠিক থাকে, সে বিষয়েও সজাগ থাকবে প্রশাসন’— বলেছেন তিনি।






